বাঁশখালীতে পল্লীবিদ্যুতের ভেলকিতে অতিষ্ঠ মানুষ

চট্টগ্রামের বাঁশখালীবাসীর পল্লীবিদ্যুতের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। নিজেদের ইচ্ছামতো বিল করা, দালাল ছাড়া কোনো কাজ করতে না পারা, এলাকার প্রভাবশালীদের নামকাওয়াস্তে পরিচালক করে নিয়মনীতিহীনভাবে জরিমানা ও বিল আদায় করা, ঘণ্টায় কয়েকবার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করতে করতে বাড়ির বৈদ্যুতিক জিনিসপত্র নষ্ট হওয়ার অভিযোগ করেছেন তারা।

বাঁশখালী উপজেলায় সারা বছরই থাকে পল্লীবিদ্যুতের অব্যাহত লোডশেডিং। উপজেলায় ৯৫ হাজার ৭৯৪ জন গ্রাহক তালিকাভুক্ত থাকলেও অবৈধ সংযোগধারীও রয়েছে অনেক। লোডশেডিংয়ের সময় একটু বাতাস হলে বিদ্যুতের দেখা পেতে বেগ পেতে হয়। এ ছাড়া প্রতিনিয়ত গাছ কাটার নামে, ঝড়ো হাওয়ার অজুহাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, দিনের পর দিন, রাতের পর রাত বিদ্যুৎ থাকে না। অথচ যথাসময়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করলে কেটে দেওয়া হচ্ছে সংযোগ। দুই মাসের বিদ্যুৎ বিল বাকি থাকায় অনেকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। পরে মোটা অঙ্কের টাকা পরিশোধ করে নিতে হয় সংযোগ।

চট্টগ্রাম পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১ বাঁশখালী জোনাল অফিসের দায়িত্বরত অতিরিক্ত ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বলেন, লোডশেডিংয়ের সমস্যা আমাদের নয়। এটি চন্দনাইশ গ্রিডের সমস্যা। উপজেলা সদরের জোনাল অফিস, সাব স্টেশনসহ ৪টি অফিস মিলে মাত্র ৯৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আছে। তা দিয়ে আমরা পুরো বাঁশখালীতে চাহিদা অনুযায়ী কাজ করতে পারছি না।