বন্যায় ৩৩টি জেলায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে বিতরণের জন্য এ পর্যন্ত ১৬ হাজার ৫১০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বন্যার্তদের মাঝে এ পর্যন্ত ১১ হাজার ৫১৮ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার এক তথ্যবিবরণীতে একথা বলা হয়।
বন্যাকবলিত জেলা প্রশাসনসমূহ থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নগদ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে চার কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং এ পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে দুই কোটি ৭৮ লাখ ৩০ হাজার ৭০০ টাকা।
শিশু খাদ্য সহায়ক হিসেবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এক কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং এ পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে ৯১ লাখ ১৩ হাজার ৮৫৬ টাকা।
গো-খাদ্য ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে দুই কোটি ৮৮ লাখ টাকা এবং বিতরণের পরিমাণ এক কোটি ৭৭ লাখ ৮৯ হাজার টাকা।
শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এক লাখ ৬২ হাজার এবং এ পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে এক লাখ ৩৪ হাজার ২৩৬ প্যাকেট।
এছাড়াও ঢেউটিন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৩০০ বান্ডিল এবং এ পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে ১০০ বান্ডিল, গৃহ মঞ্জুরি বাবদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে নয় লাখ টাকা এবং বিতরণ করা হয়েছে তিন লাখ টাকা।
বন্যাকবলিত জেলাসমূহ হচ্ছে- ঢাকা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, পাবনা, রংপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ।
তথ্যবিবরণীতে বলা হয়, বন্যাকবলিত উপজেলার সংখ্যা ১৬৩টি এবং ইউনিয়নের সংখ্যা এক হাজার ৭৯টি।
পানিবন্দি পরিবার সংখ্যা ৯ লাখ ৮২ হাজার ২৭৭টি এবং ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ৫৪ লাখ ৭ হাজার ৫৬৯ জন। বন্যায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৪১ জন। বন্যা কবলিত জেলাসমূহে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এক হাজার ৩৬৫টি ।
আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রিত লোক সংখ্যা ৪৩ হাজার ৩৩৮ জন। আশ্রয়কেন্দ্র আনাগবাদি পশুর সংখ্যা ৭১ হাজার ১৯২টি। বন্যাকবলিত জেলাসমূহে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে ৮৮৩টি এবং বর্তমানে চালু আছে ৩১৭টি ।