মডেল টেস্ট : বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
(সপ্তম অধ্যায় থেকে)
নিচের বর্ণনামূলক প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও
১. শিশুশ্রমের কারণে শিশুরা কোন অধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত হয়?
২. অটিস্টিক শিশুর ছয়টি বৈশিষ্ট্য লেখো।
৩. জাতিসংঘ মানবাধিকার ঘোষণাপত্র কবে
স্বীকৃতি দিয়েছে? মানবাধিকার প্রয়োজন কেন? মানবাধিকার রক্ষায় তোমার চারটি করণীয় লেখো।
৪. তোমার বিদ্যালয়ে একজন অটিস্টিক শিশু রয়েছে। তাকে চেনার জন্য শিশুটির তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখো। তার সঙ্গে তুমি কেমন ব্যবহার করবেÑ দুই বাক্যে লেখো।
৫. মানবাধিকার কাকে বলে? মানবাধিকারের পাঁচটি প্রয়োজনীয়তা লেখো।
৬. নারী ও শিশু পাচার কেমন কাজ? নারী ও শিশু পাচার বন্ধ হওয়া প্রয়োজন কেন? পাঁচ বাক্যে লেখো।
৭. মানবাধিকার বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব কার? মানবাধিকারের পাঁচটি সুবিধা লেখো।
৮. গ্রামের শিশুরা কোথায় কাজ করে? শিশু শ্রমিকদের জন্য তোমার পাঁচটি করণীয় লেখো।
উত্তর
১. শিশুশ্রমের কারণে শিশুরা যেসব অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়Ñ
ক. স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার অধিকার
খ. সমাজে সবার সমান মর্যাদা ও অধিকার
গ. নিরাপত্তা লাভের অধিকার
ঘ. শিক্ষার অধিকার
ঙ. নিজের চিন্তা ও মতপ্রকাশের অধিকার
চ. খাদ্য, পোশাক ও চিকিৎসার অধিকার
২. অটিস্টিক শিশুর ছয়টি বৈশিষ্ট্য হলোÑ
ক. সব কাজ বা বিষয় একই নিয়মে করতে চায়।
খ. অন্যের স্পর্শে তারা আঁতকে ওঠে।
গ. তারা আলো, শব্দ, গতি, স্পর্শ, ঘ্রাণ বা স্বাদের ক্ষেত্রে অতি সংবেদনশীল হয়ে থাকে।
ঘ. কোনো কোনো অটিস্টিক শিশু চমৎকার প্রতিভার অধিকারী হয়।
ঙ. কোনো একটি বিশেষ জিনিসের প্রতি প্রবল আকর্ষণ থাকে এবং সেটি সব সময় সঙ্গে রাখে।
চ. কোনো কাজে সামান্য অনিয়ম হলে তারা রেগে যায়।
৩. ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ মানবাধিকার ঘোষণাপত্রের স্বীকৃতি দিয়েছে।
সব মানুষের সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্য মানবাধিকার প্রয়োজন।
মানবাধিকার রক্ষায় আমার চারটি করণীয় হলোÑ
ক. সমাজে সবার সমান-মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করব।
খ. কেউ মানবাধিকার বিরোধী কোনো কাজ করলে তার প্রতিবাদ করব।
গ. মানবাধিকার সংক্রান্ত আইন-কানুন মেনে চলব।
ঘ. সবার অধিকার রক্ষায় কাজ করব।
৪. আমার বিদ্যালয়ের অটিস্টিক শিশুটিকে চেনার তিনটি বৈশিষ্ট্যÑ
ক. সে সব কাজ একই নিয়মে করতে চায়।
খ. তীব্র আলো কিংবা প্রচণ্ড শব্দ শুনে উত্তেজিত হয়।
গ. একাকী চুপচাপ থাকতে পছন্দ করে।
আমার বিদ্যালয়ের অটিস্টিক শিশুটির প্রতি আমি যেমন ব্যবহার করবÑ
ক. তাকে কখনো বিরক্ত করব না।
খ. তার পছন্দ-অপছন্দের ব্যাপারে খেয়াল রাখব।
৫. মানুষের ভালোভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় অধিকারকে মানবাধিকার বলে।
মানবাধিকারের প্রয়োজনীয়তাÑ
ক. মানবাধিকার মানুষের জীবনকে ভালোভাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
খ. লেখাপড়া শিখে যোগ্যতা ও মর্যাদার সঙ্গে সমাজে বসবাসের সুযোগ করে দেয়।
গ. মানুষের ভালো গুণগুলো বিকশিত হতে সাহায্য করে।
ঘ. মানুষে মানুষে সম্প্রীতি তৈরি করতে সহায়ক।
ঙ. সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে।
৬. নারী ও শিশুপাচার মানবাধিকার বিরোধী কাজ।
যেসব কারণে নারী ও শিশুপাচার বন্ধ হওয়া প্রয়োজনÑ
ক. মানবাধিকার বাস্তবায়নের জন্য।
খ. নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার জন্য।
গ. নারী ও শিশুদের সুন্দর জীবনযাপনের জন্য।
ঘ. ঝুঁকিপূর্ণ ও অমানবিক কাজ বন্ধ করার জন্য।
ঙ. পরিবারের দুঃখ-কষ্ট লাঘব করার জন্য।
৭. মানবাধিকার বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব হলো পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের।
মানবাধিকারের পাঁচটি সুবিধাÑ
ক. সমান মর্যাদা এবং ভোগের অধিকার।
খ. স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার অধিকার।
গ. বিচার লাভের অধিকার।
ঘ. নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার।
ঙ. প্রত্যেকের শিক্ষাগ্রহণের অধিকার।
৮. গ্রামের শিশুরা ক্ষেতে, ইটের ভাটায় কাজ করে।
শিশু শ্রমিকদের জন্য আমরা যা করতে পারিÑ
ক. আমাদের সব শিশুদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে হবে।
খ. শিশুশ্রম বন্ধ করতে হবে।
গ. শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।
ঘ. শিশুরা যেন মানুষ হিসেবে তাদের অধিকার ভোগ করতে পারে সে বিষয়ে আমরা সবাই সচেতন থাকব।
ঙ. শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে দেব না।