নিউজিল্যান্ডে যাবে বাংলাদেশ

করোনাভাইরাসের প্রভাব কাটিয়ে অন্য কোনো দেশে কখন কীভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরবে তা বলা যাচ্ছে না। তবে এটা বলা যাচ্ছে যে এবারের গ্রীষ্মে নিউজিল্যান্ডে পুরোদমে চলবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আসর। উইন্ডিজ, পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া দেশটিতে সফরে যাবে। বাংলাদেশ দলও ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে যাবে সেখানে। ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় ওয়ানডে বিশ্বকাপ বাতিল হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার নারী দলও নিউজিল্যান্ড সফর করবে।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দেশটির সরকারের সঙ্গে বায়োসিকিউরিটি নিয়ে কাজ করছে। অতিথি দলকে দেশটিতে পৌঁছে ১৪ দিনের আইসোলোশনে থাকতে হবে বলে ওই ব্যবস্থার উদ্যোগ। এনজেডসির সিইও ডেভিড হোয়াইট জানিয়েছেন, ইংল্যান্ড ক্রিকেট কর্র্তৃপক্ষ যেভাবে বায়োসিকিউর পরিবেশ তৈরি করে করোনা প্রাদুর্ভাবের মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়েছে সেই মডেল অনুসরণ করতে চান তারা।

‘দারুণ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা। এই তো উইন্ডিজের সঙ্গে কথা হলো। তারা নিশ্চিত করল। পাকিস্তানও নিশ্চিত। অস্ট্রেলিয়া আর বাংলাদেশও।’ হোয়াইট বেশ রোমাঞ্চ নিয়ে বলছিলেন, ‘সুতরাং সামনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ৩৭টি দিন।’

উইন্ডিজ আইসিসির ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রাম বা এফটিপির টেস্ট সিরিজের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি খেলবে। এই টেস্ট সিরিজ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে দেশটিতে কুড়ি ওভারের সিরিজ খেলতে সফরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিশ্বকাপ বাতিল হওয়ায় তা ভেস্তে যায়। এবার সেখানে গিয়ে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া দেশটিতে যাবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে। শেষবার অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড একে অন্যের বিপক্ষে দর্শকহীন সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ম্যাচ খেলেছিল। মার্চের ওই সফর করোনার কারণে সংক্ষিপ্ত করে কিউইরা দেশে ফিরে যায়।

করোনা সামলানোর ব্যাপারে নিউজিল্যান্ড উদাহরণ দেওয়ার মতো সাফল্য পেয়েছে। সম্প্রতি কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বিহীন ১০০ দিন উদযাপিত হয়েছে সেখানে। দেশটিতে সব মিলে ১৫৭০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন মাত্র ২২ জন।