সরকারের কাছে সাতটি দাবি রেখেছে দেশের একমাত্র মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্স। এর মধ্যে আছে প্রণোদনা সহায়তা, ভ্যাট মওকুফ ও উপমহাদেশীয় ভাষার সিনেমা আমদানি। নইলে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দিতে হবে বলে জানানো হয়।
করোনা পরিস্থিতিতে কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর বিপণিবিতান, রেস্তোরাঁ, পাঁচতারা হোটেল, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট, পর্যটনসহ দেশের অর্থনীতির প্রায় সব খাতের চাকা সচল করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো বন্ধ আছে প্রেক্ষাগৃহ।
এ অবস্থায় সরকার আন্তরিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে না এলে বন্ধ হয়ে যাবে স্টার সিনেপ্লেক্স। বুধবার মহাখালীর স্টার সিনেপ্লেক্সের আউটলেটে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান রুহেল।
‘সেভ বিডি সিনেমা’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে সেখানে কর্তৃপক্ষ সরকারের কাছে সাতটি দাবি তুলে ধরে। যেগুলো পূরণ হলে স্টার সিনেপ্লেক্স ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবে বলে মনে করে তারা।
দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে নগরবাসীর বিনোদনের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিগগিরই সিনেমা হল খুলে দেওয়া, জরুরি আর্থিক সহায়তা কিংবা প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করা, সিনেমা হলের টিকিটের ওপর সব ধরনের মূসক ও কর মওকুফের সুযোগ প্রদান, সুদবিহীন ঋণ প্রদানের অনুমোদন এবং উপমহাদেশীয় ভাষার চলচ্চিত্র শর্তহীনভাবে আমদানির অনুমতি প্রদান।
মাহবুব রহমান বলেন, “করোনা পরিস্থিতিতে স্টার সিনেপ্লেক্সের প্রতিটি শাখা বিভিন্ন শপিং মলে ভাড়ায় পরিচালিত হয়। এই করোনাকালে শপিং মল কর্তৃপক্ষের কাছে ভাড়া মওকুফ করা ও অবস্থা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার অনুরোধ করছি।”
প্রযোজক সমিতির কাছে অনুরোধ করে বলেন, সেন্সর পাওয়া সিনেমাগুলো মুক্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। শুধু সিনেমা হল খুললেই হবে না, নতুন ছবি মুক্তি না পেলে দর্শক হলে আসবেন না।
আরও জানান, আধুনিক মাল্টিপ্লেক্স সিনেমা হলগুলো সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চমৎকার উদাহরণ হতে পারে। নির্ধারিত আসনের জন্য অল্পসংখ্যক লোক টিকিটের বিনিময়ে সিনেমা দেখেন। আর স্টার সিনেপ্লেক্স বরাবরই স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন।