মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান নিহতের ঘটনায় গণশুনানি শুরু হয়েছে। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফের শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্প ইনচার্জের কার্যালয়ে তদন্ত কমিটি এই গণশুনানি শুরু করে।
শুনানিতে সাক্ষ্য দিতে ১১ জনের নাম নিবন্ধন করা হয়েছে। নিবন্ধনকৃত এসব সাক্ষীদের কাছ থেকে সাক্ষ্য নিচ্ছে তদন্ত কমিটি।
শুনানিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মিজানুর রহমান।
এর আগে ১২ আগস্ট তদন্ত কমিটির সদস্য কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহা. শাহজাহান আলী একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন।
এতে তিনি বলেন, ৩১ জুলাই আনুমানিক রাত ৯টায় পুলিশের গুলিবর্ষণে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান নিহত হন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে কমিটি গণশুনানির আয়োজন করেছে।
গত ৩ জুলাই সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গে শিপ্রা দেবনাথ, সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও তাহসিন রিফাত নুর কক্সবাজার আসেন ভ্রমণবিষয়ক ভিডিওচিত্র ধারণ করতে।
পরে ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে গুলিতে নিহত হন সিনহা।
এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আটক করা হয়। দুজনই বর্তমানে জামিনে মুক্ত।
ওই ঘটনায় সিনহার বোনের করা হত্যা মামলায় টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ পুলিশ কর্মকর্তা, সদস্য ও পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষী কক্সবাজার জেলা কারাগারে রয়েছে। এদের মধ্যে চার পুলিশ সদস্য ও তিন সাক্ষীকে রিমান্ড নিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা র্যাব।