এই তিন-চার মাস অনেক কঠিন ছিল: তামিম

করোনার দীর্ঘ বিরতি শেষে রবিবার থেকে ব্যক্তিগত অনুশীলন শুরু করেছেন তামিম ইকবাল। সতীর্থরা আরো আগেই অনুশীলন শুরু করলেও তামিম পারেননি অসুস্থতা জনিত কারণে। পেটের চিকিৎসায় লন্ডনে গিয়েছিলেন। যেখানে করানো পরীক্ষা-নিরীক্ষায় খারাপ কিছু আসেনি। বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক এখন পুরোদমে অনুশীলনে মন দিয়েছেন। কিন্তু করোনা কাল যে কঠিন মানসিক পরীক্ষা নিয়েছে সেটি বলতে ভুললেন না।

সোমবার বিসিবি প্রেরিত ভিডিও বার্তায় তামিম বলেন, ‘এই তিন-চার মাস অনেক কঠিন ছিল।’ কিভাবে দ্রুত মানসিকভাবে আগের জায়গায় আসা যায় সেটিই এখন লক্ষ্য বাঁহাতি ব্যাটারের।

তামিম বলেন, ‘এই চার মাসে বিসিবি আমাদের কিছু সেশন ঠিক করে দিয়েছিল। মানসিকভাবে যেন আমরা ভালো অবস্থায় থাকি। ব্যক্তিগতভাবে আমিও দুই-তিনটা সেশন করেছি। এসব আমাকে ভালো সহায়তা করেছে। কিন্তু এই চার মাস কোনোভাবেই সহজ ছিল না।’

কঠিন সময়গুলোর কথা মনে করে বলেন, ‘এই তিন-চার মাস অনেক কঠিন ছিল। হয়তো বা আমরা বাসায় ছিলাম, পরিবারের সঙ্গে ছিলাম। কিন্তু একটা মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে গিয়েছি। বাসা থেকে বের হতে পারছিলাম না। সাধারণ একটা সফর থেকে ফিরে ৭-৮ দিনের একটা ছুটি পাই। তখন আমরা অনেক জায়গায় যেতে পারি বা অনেক কিছু করতে পারি। এই চার মাস অন্যরকম ছিল। স্বাস্থ্যের ব্যাপারে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চিন্তা ছিল।’

মিরপুরে মাঠে রানিংয়ের পাশাপাশি নেটে ব্যাটিং অনুশীলনও করতে পারছেন ক্রিকেটাররা। তামিম অনেক দিন পর ব্যাটিং করলেও কোনো জড়তা ছিল না বলেই জানালেন। যাতে তামিম নিজেও কিছুটা অবাক, ‘ব্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে যতটা জড়তা থাকবে মনে করেছিলাম, অবাক করা ব্যাপার অতটা খারাপ অবস্থা না আমার। ব্যাটিংটা মোটামুটি ঠিকই আছে। ফিটনেসের দিক থেকেও ভালো আছে অবস্থা।’

করোনার ধাক্কা কাটিয়ে এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাঠে ফিরেছে। বাংলাদেশেরও ফেরার দিনক্ষণ ঠিক হয়েছে। অক্টোবরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দিয়ে ফিরবে টাইগাররা। তামিম খুশি ফের মাঠে ফিরতে পেরে, ‘অবশেষে আমরা যেটা করতে পছন্দ করি, সেই খেলাধুলা করতে পারছি। এটা অনেক ভালো ব্যাপার।’

মানসিকভাবে এখন দ্রুত আগের অবস্থানে ফেরাই লক্ষ্য তামিমের, ‘আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে এখান থেকে বের হয়ে যত তাড়াতাড়ি মানসিকভাবে ভালো অবস্থায় এসে যাই। সামনে আমাদের বড় একটা সফর আছে। আমি বিশ্বাস করি যে আমাদের ভালো সুযোগ আছে।’