৭২ বছর পূর্ণ করলেন বাংলা সিনেমার গুণী অভিনেতা অভিনেতা ও সংসদ সদস্য ফারুক। ১৯৪৮ সালের ১৮ আগস্ট তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তবে নায়ক ফারুকের এবারের জন্মদিন কাটছে হাসপাতালে শুয়ে। শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। জানা যায়, তিনি জ্বরে আক্রান্ত।
নায়ক ফারুক জানান, ‘প্রচণ্ড জ্বর নিয়ে ১৬ আগস্ট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। জ্বর কমছে না। করোনা টেস্ট করিয়েছি দুইবার। নেগেটিভই এসেছে। সেদিক থেকে দুশ্চিন্তা নেই।’
জন্মদিন উপলক্ষে তিনি বলেন, ‘জন্মদিন নিয়ে কোনোদিনই আমার বাড়তি উচ্ছ্বাস ছিলো না। একে তো আগস্ট শোকের মাস। বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি জন্মদিন পালন করি না। তারউপর মায়ের মৃত্যু ছোটবেলায় মনটাকে একদম বিষিয়ে দিয়েছিলো। জীবনের সংগ্রাম দেখেছি খুব নিষ্ঠুরতা আর নির্মম অভিজ্ঞতায়। যারা আমাকে জন্মদিনে ভালোবাসা দিয়েছেন তাদের জন্য আমার ভালোবাসা।’
১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত জলছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে ফারুকের আত্মপ্রকাশ হয়। প্রথম ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন কবরী। এরপর ১৯৭৩ সালে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র খান আতাউর রহমানের পরিচালনায় ‘আবার তোরা মানুষ হ’ ও ১৯৭৪ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতার ‘আলোর মিছিল’ এ দুটি চলচ্চিত্রে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।
১৯৭৫ সালে তার অভিনীত সুজন সখী ও লাঠিয়াল ছবি দুটি ব্যাপক ব্যবসা সফল হয়। ওই বছর লাঠিয়াল-এর জন্য তিনি সেরা পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। ১৯৭৬ সালে সূর্যগ্রহণ ও নয়নমনি, ১৯৭৮ সালে শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত আব্দুল্লাহ আল মামুনের সারেং বৌ, আমজাদ হোসেনের গোলাপী এখন ট্রেনেসহ বেশকিছু ছবিতে মিয়া ভাই খ্যাত চিত্রনায়ক ফারুকের অভিনয় প্রশংসিত হয়।