শিপ্রা-সিফাতের ২৯ সামগ্রী র‌্যাবকে দিতে নির্দেশ

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের সহকর্মী শিপ্রা দেবনাথ ও সাহেদুল ইসলাম সিফাতের কম্পিউটার, ডিভাইস ও ল্যাপটপ ২৯টি সামগ্রী তদন্ত সংস্থা র‌্যাবের কাছে হস্তান্তরে নির্দেশ দিয়েছে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

বিচারক তামান্না ফারাহর আদালত বুধবার বিকেল ৩টার দিকে র‌্যাবের আবেদনের শুনানি শেষে এ নির্দেশ দেয়।

কক্সবাজার আদালত পুলিশের ওসি প্রদীপ কুমার দাশ সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ‘র‌্যাবের পক্ষ থেকে শিপ্রার কম্পিউটার সামগ্রী জিম্মায় পেতে আদালতে করা আবেদন শুনানি হয়। শুনানি শেষে র‌্যাবের আবেদন মঞ্জুর করে কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও ডিভাইস র‌্যাবের জিম্মায় দিতে নির্দেশ দেন তামান্না ফারাহর আদালত।

এর আগে সোমবার রাতে প্রেস ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার প্রধান লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানিয়েছিলেন, সিনহা হত্যা মামলার মূল সাক্ষী শিপ্রা দেবনাথ ও সিফাতের কম্পিউটার ডিভাইসসহ ২৯টি সামগ্রী কক্সবাজারের রামু থানায় পুলিশের হেফাজতে রক্ষিত আছে। আদালতের মাধ্যম উক্ত সরঞ্জামাদি র‌্যাব হেফাজতে নেয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছিল। কারণ, মামলার তদন্তের স্বার্থে উক্ত কম্পিউটার ডিভাইস গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে সহায়ক হবে।

৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ।  এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আটক করা হয়। দুজনই বর্তমানে জামিনে মুক্ত।

ওই ঘটনায় ওসি প্রদীপসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা এবং পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষী প্রথমে কক্সবাজার জেলা কারাগার ও পরে আদালতের ৭ দিনের রিমান্ড আদেশের প্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব হেফাজতে রয়েছে।

সর্বশেষ বাংলাদেশ আর্মড পুলিশের (এপিবিএন) তিন সদস্যকে আটকের আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব।

কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ প্রত্যেককে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।