স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেল ফ্লোরিডায় ৭৫ কোটি জিনগত সংশোধিত (জেনেটিক্যালি মডিফাই) মশা ছাড়ার প্রস্তাব। এ মশা ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়ার মতো রোগ ঠেকাবে।
২০২১ ও ২২ সালে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে এ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি পক্ষ ও পরিবেশ বিষয়ক গ্রুপগুলো একটি জোট।
সিএনএন জানায়, এই প্রস্তাব ইতিমধ্যে অঙ্গরাজ্য ও ফেডারেল পর্যায়ে অনুমোদন পেয়েছে।
বুধবার ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর টেকনোলজি অ্যাসেসমেন্ট ও সেন্টার ফর ফুড সেফটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ফ্লোরিডা ও পুরো জাতি কভিড-১৯ মহামারি, বর্ণ বৈষম্য ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানান ধরনের জরুরি সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ সময় জনগণের কর ও সরকারি অর্থে জুরাসিক পার্কের মতো পরীক্ষা চালাচ্ছে প্রশাসন।
তাদের দাবি এ বিষয়ে পরিবেশগত ঝুঁকির বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা হয়নি।
মে মাসে এনভায়রনমেন্ট প্রোটেকশন এজেন্সি এ পরীক্ষার অনুমতি দেয়। পাইলট প্রজেক্টে দেখা হয়, এই মশা কীটনাশক ছড়ানোর বিকল্প হতে পারে কি-না। এর মাধ্যমে অ্যাডিস এজপিটি নিয়ন্ত্রণের আশা করছেন তারা। এই প্রজাতির মশা জিকা, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ইয়োলো ফিভারের বাহক।
জিনগত সংশোধিত এই মশার নাম ওএক্স৫০৩৪। এ প্রজাতির স্ত্রী মশা লাভা পর্যায়ে মারা যায়। তাই কোনো ধরনের জীবাণু ছড়াতে পারে না। অন্যদিকে মধু খেয়ে বেঁচে থাকা পুরুষ কোনো ধরনের রোগ বহন করে না। টেক্সাসের হ্যারিস কাউন্টিতেও এই মশা অনুমোদন পেয়েছে। সেখানে আগামী বছরের শুরু থেকে অবমুক্ত করা হবে।
এ মশার ডিজাইন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন ব্রিটিশ কোম্পানি অক্সিটেক। মানুষ ও পরিবেশের ঝুঁকি বিষয়ে তদন্ত করে আবেদনের কয়েক বছর পর এনভায়রনমেন্ট প্রোটেকশন এজেন্সি কোম্পানিটিকে সবুজ সংকেত দেয়।