দুই দশক আগে হলিউডের প্রথম সারির তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান রাসেল ক্রো। নিজের এ অর্জনের জন্য শ্যারন স্টোনকে ধন্যবাদ জানালেন নায়ক। তার মতে, এই অভিনেত্রী না থাকলে আমেরিকান মুভিতে দর্শক হৃদয় জয় সহজ হতো না।
পিপল ডটকম জানান, মঙ্গলবার ৫৬ বছর বয়সী নায়ক আসেন ‘লেট নাইট উইথ সেথ মেয়ার্স’ অনুষ্ঠানে। সেখানে ৬২ বছরের শ্যারনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
রাসেলের জন্ম নিউজিল্যান্ডে ওয়েলিংটনে। নিজ দেশ ও অস্ট্রেলিয়ার শোবিজে কাজ করেন শুরুর দিকে। ১৯৯০ এর দশকে সিনেমায় অভিনয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসেন তিনি। ১৯৯৫ সালে স্যাম রাইমির ওয়েস্টার্ন ‘দ্য কুইন অ্যান্ড দ্য ডেড’-এ সুযোগ পান। সঙ্গে ছিলেন শ্যারন স্টোন, জেন হ্যাকম্যান, লিওনার্দো ডিকাপ্রিও ও গ্যারি সিনিজ।
লস অ্যাঞ্জেলসে প্রতিষ্ঠা পাওয়া কতটা কঠিন তা উল্লেখের পর অভিনেতা জানান, ১৮ মাস শতাধিক মিটিং করেও হলিউডে তেমন সুযোগ মেলেনি। কিন্তু শ্যারনের কারণেই প্রথম বড় সুযোগটি পান।
‘দ্য কুইক অ্যান্ড দ্য ডেড’-এ এলেন চরিত্রে অভিনয় করেন শ্যারন। তিনি প্রযোজকদের কর্ট চরিত্রে রাসেলকে নেওয়ার সুপারিশ করেন। নায়িকার জোরাজুরিতেই প্রযোজক-পরিচালক রাজি হন।
অডিশন দিয়ে এ সিনেমায় ছোট একটি চরিত্র পান রাসেল। কিন্তু শ্যারন এতে খুশি ছিলেন না। কারণ রাসেলের আগের একটি সিনেমা দেখে মনে হয়েছিল তাকেই নায়ক হিসেবে ভালো মানাবে। ছবির মুক্তির পর দেখা যায়, এ অনুমান ঠিক। দুই তারকার রসায়ন দর্শক গ্রহণ করেছিল।
কয়েক বছর পর ২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া ‘গ্ল্যাডিয়েটর’ রাসেল ক্রোর তারকাখ্যাতিকে অন্যরকম উচ্চতায় নিয়ে যায়। ছবিটি পাঁচটি বিভাগে একাডেমি অ্যাওয়ার্ড জেতে, এর মধ্যে সেরা অভিনেতার পুরস্কারও রয়েছে। মঙ্গলবারের অনুষ্ঠানে এ সিনেমা নিয়েও স্মৃতিচারণ করেন রাসেল। তার মতে, ‘গ্ল্যাডিয়েটর’ নিয়ে এখনো কথা হয়। যা সব সিনেমার ক্ষেত্রে ঘটে না।
এ দিকে করোনা পরবর্তী বড় রিলিজ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে জুলাইয়ের শেষ দিকে মুক্তি পেয়েছে রাসেল ক্রোর ‘আনহিঞ্জড’। এখনো বিশ্বব্যাপী রিলিজ বাকি আছে।