খ্যাতিমান ভাস্কর মৃণাল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।
শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা দিকে গুলশানের বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মৃণাল হক। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। বেশ কিছু দিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন তিনি, রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাও নিয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
কে এম খালিদ বলেন, “মৃণাল হক ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা ভাস্কর। মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলনসহ বিভিন্ন বিষয়ে তার নির্মিত ভাস্কর্য ঢাকা শহরের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। তার উল্লেখ্য ভাস্কর্যের মধ্যে রয়েছে মতিঝিলের ‘বলাকা’, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে ‘রাজসিক’, পরিবাগ মোড়ে ‘জননী ও গর্বিত বর্ণমালা’, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ‘রত্নদ্বীপ’, নৌ সদর দপ্তরের সামনে ‘অতলান্তিকে বসতি’, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘গোল্ডেন জুবিলি টাওয়ার’, বঙ্গবাজারে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য প্রভৃতি। খ্যাতিমান এ ভাস্কর তার কর্মের মধ্য দিয়ে এ দেশের শিল্পপ্রেমী মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন।”
মৃণাল হকের জন্ম রাজশাহীতে। ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন। ১৯৮৪ সালে তিনি মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।
১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এ শিল্পী এবং সেখানে ভাস্কর্যের কাজ শুরু করেন। ২০০২ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।