দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবার উঠতির দিকে। চব্বিশ ঘণ্টায় গত মার্চের পর সর্বাধিক আক্রান্ত দেখেছে দেশটি। সংক্রমণ বাড়ায় সামাজিক দূরত্ব মানার নিয়মগুলো আবারও জোরদার করেছে সরকার।
কোরিয়া সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন- কেসিডিসি রোববার জানিয়েছে, সবশেষ চব্বিশ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে ৩৯৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গেছে। মার্চের পর এতবেশি আক্রান্ত দেখেনি দক্ষিণ কোরিয়া।
নতুন আক্রান্তদের বেশির ভাগই রাজধানী সিউলের। দেশটির ৫ কোটি ১০ লাখ জনগণের অর্ধেকের বসবাসই এই এলাকায়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, করোনার সংক্রমণ আবার বাড়তির দিকে থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা-বাণিজ্য আবার বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাফেরার নিয়ম আরও কঠোর করা হতে পারে।
কেসিডিসি’র প্রধান সাংবাদিকদের বলেন, “পরিস্থিতি খুবই গুরুতর এবং জটিল। আমরা পুরো দেশজুড়ে মহামারির দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছি। সম্ভব হলে দয়া করে সবাই ঘরে থাকুন।”
করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে যে দেশগুলো সাফল্য দেখিয়েছে এর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া অন্যতম। আর এই সাফল্যের অন্যতম কারণ ব্যাপক হারে পরীক্ষা, সংক্রমণ স্থল শনাক্ত ও যথাযথ চিকিৎসা সেবা।
দক্ষিণ কোরিয়ায় সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৩৯৯ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩০৯ জনের।
ওয়ার্ল্ডো মিটারের হিসেব মতে, বিশ্ব জুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৩৩ লাখ ছাড়িয়েছে, মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৮ হাজার।