কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার কয়া কাজীপাড়া গ্রামের ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণ শেষে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা মামলায় জড়িত অভিযোগে ৪ কিশোরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে কুমারখালী থানা-পুলিশ।
রবিবার বেলা ১২টায় কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিচারক মুনশি মো. মশিয়ার রহমান এর এজলাসে তাদের সৌপর্দ করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৪ জুন কুমারখালী উপজেলার কয়া কাজীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা কয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী জয়া খাতুনের আমগাছে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে কুমারখালী থানা-পুলিশ। ঘটনায় নিহত ওই ছাত্রীর বাবা জিয়ার শেখ বাদি হয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে কিশোর (১৭) এর নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত ২/৩জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তার স্বীকারোক্তির মধ্যে ঘটনার মোটিভ বেড়িয়ে আসে।
কুমারখালী থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, স্কুলছাত্রীকে দল বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে হত্যার এই ক্লুলেস মামলায় অবশেষে জড়িত অভিযোগে প্রধান আসামিসহ আরও দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় বিস্তারিত ঘটনার বিবরণে দল বেঁধে ধর্ষণ শেষে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে গাছে ঝুলিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেন আসামিরা। বিচারিক হাকিমের আদালতে ১৬৪ ধারা জবানবন্দিতেও স্বীকার করেছে আসামিরা। শুনানি শেষে গ্রেপ্তারকৃতদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতের কিশোর সেলে প্রেরণের আদেশ দেন।