প্রথমবার আক্রান্ত হওয়ার সাড়ে চার মাস পর এক ব্যক্তির দেহে করোনাভাইরাসের ‘পুনঃসংক্রমণ’ ঘটেছে। সম্প্রতি হংকং-এর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে, ৩০ বছরের ওই ব্যক্তি সুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন, এরপর রোগটি ফিরে এসেছে।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জিনোমের সিক্যুয়েন্সের মাধ্যমে দেখা গেছে ওই ব্যক্তির দেহে সংক্রমণ হওয়া ভাইরাসের ধরন ‘স্পষ্টত আলাদা’। আর এটা হলো পুনঃসংক্রমণে বিশ্বের প্রথম প্রমাণিত কেস।
বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে বলছে, একজন রোগী থেকে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে আসা ঠিক হবে না। বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, এ পুনঃসংক্রমণ বিরল হলেও গুরুতর নয়।
কারো কারো মতে, করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের সঙ্গে এ বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাসের পরিবর্তন স্বাভাবিক ব্যাপার।
এ পর্যন্ত বিশ্বে ২ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। ধারণা করা হয়, আক্রান্ত ব্যক্তি একবার সেরে উঠলে তার শরীরে তৈরি হওয়ার প্রতিরোধ সক্ষমতার কারণে এ রোগ ফিরে আসে না। এ শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা গুরুতর অসুস্থ রোগীদের মধ্যেও দেখা গেছে।
তবে এই সুরক্ষা বা প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটা শক্তিশালী বা কত দিন স্থায়ী তা এখনো পরিষ্কার নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এ বিষয়ে আরও বিশদ গবেষণা প্রয়োজন।