মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের দলই চা-বাগান খোলার নোটিস দিলেও কোনো শ্রমিক কাজে যোগ দেননি। ৩৩ দিন বন্ধ থাকা বাগানটির বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে শ্রম অধিদপ্তরের শ্রীমঙ্গল কার্যালয়ে শ্রমিক ও মালিক পক্ষের মাঝে আলোচনা চললেও কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই আবার গত শুক্রবার সন্ধ্যায় চা-বাগান খোলার নোটিস দেয় কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী জানান, গত ২৭ জুলাই সন্ধ্যায় দলই চা-বাগান বন্ধ করে কোম্পানি। ১৯ আগস্ট রাতে বাগানে প্রবেশ করে ব্যবস্থাপক আমিনুল ইসলাম। পরদিন দুজন নারী চা শ্রমিক লাঞ্ছিত হন। এ নিয়ে একজন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে কমলগঞ্জ থানায় হামলা, ভাঙচুর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা করা হয়।
শ্রমিকদের দাবি, আগে মামলা প্রত্যাহার ও ব্যবস্থাপককে বদলি করা হোক তারপর শ্রমিকরা কাজে যোগ দেবেন।