মাদারীপুর সদর উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আবাসিক হোটেলে ডেকে নিয়ে এক স্কুলছাত্রীকে (১৬) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু ঘটনার পর বায়েজিদ মাতুব্বর (২০) নামে অভিযুক্ত তরুণ বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় আত্মহত্যার চেষ্টা করে ওই স্কুলছাত্রী।
এ ঘটনায় বায়েজিদ ও তার সহযোগীসহ চারজনকে গ্রেপ্তারের পর সোমবার আদালতে পাঠায় পুলিশ। এর আগে রবিবার গভীর রাতে মাদারীপুর শহর থেকে ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলো– শিবচর উপজেলার নিখলী গ্রামের বায়েজিদ মাতুব্বর (২০), রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামের পিয়াস জামান (২৩), সদর উপজেলার রাজারচর এলাকার শান্ত রহমান (২২), ব্রাহ্মদী গ্রামের রহমান মোল্লা (৫০)।
নির্যাতিতার স্বজনরা জানান, গত ছয় মাস আগে ফেইসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে ইতালি প্রবাসী বায়েজিদ মাতুব্বরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ওই স্কুলছাত্রীর। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রবিবার দুপুরে শহরের ভূঁইয়া ইন. আবাসিক হোটেলে তাকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে বায়েজিদ। এরপর বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ওই স্কুলছাত্রী। একপর্যায়ে স্কুলছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রেখে পালানোর চেষ্টা করে বায়েজিদ। কিন্তু বিষয়টি টের পেয়ে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই বায়েজিদ ও তার সহযোগীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি মো. কামরুল ইসলাম মিঞা জানান, এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর দাদি বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। ওই চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে বায়েজিদ।