যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে তিন কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা ও ১৫ জন আহতের ঘটনায় মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে ই-মেইলে এ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু লাইছ।
তিনি জানান, ২৭ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে ঘটনার কারণ ও তারপর নেওয়া পদক্ষেপ যথাযথ ছিল কিনা সে বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের দায়-দায়িত্ব নিরূপণে আটটি পর্যবেক্ষণ ও দশটি সুপারিশ করা হয়েছে।
গত ১৩ আগস্ট যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে শাস্তি স্বরূপ ১৮ জন কিশোরকে বেদম মারধর করা হয়। এর মধ্যে তিন কিশোরের মৃত্যু হয় এবং ১৫ জন আহত হয়।
আহত কিশোরদের দেওয়া তথ্য ও তদন্তে বেরিয়ে আসে কেন্দ্রের কর্মকর্তারা ও তাদের অনুগত বন্দী ৮ কিশোরের পিটুনিতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কেন্দ্রের সহকারী পরিচালকসহ পাঁচ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়।
ঘটনার পর দিন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু লাইছকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি ও সমাজসেবা অধিদপ্তর অপর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। একই দিন নিহত কিশোর পারভেজ হাসানের বাবা রোকা মিয়া যশোর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় বরখাস্ত পাঁচ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার ও বন্দী আট কিশোরকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।
সমাজসেবা অধিদপ্তর গঠিত কমিটি ইতিমধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সেখানে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলা ও গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।