গর্ভবতী নারীদের ওপর নভেল করোনাভাইরাসের প্রভাব বুঝতে বাংলাদেশসহ মোট সাতটি দেশের নারীদের নিয়ে একটি গবেষণা শুরু করতে যাওয়ার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ (এনআইএইচ)।
এনআইএচই তাদের ওয়েবসাইটে বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছে, এই গবেষণায় মোট ১৬ হাজার নারীকে যুক্ত করা হবে। বাকি ছয়টি দেশ ভারত, পাকিস্তান, কেনিয়া, জাম্বিয়া, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো এবং গুয়াতেমালা।
গর্ভধারণের পর থেকে শিশুর জন্মের ১২ মাস পর্যন্ত করোনামুক্ত নারীদের সঙ্গে এই রোগটিতে আক্রান্তদের পার্থক্য বোঝার চেষ্টা করা হবে।
গবেষণাটি পরিচালনা করবে এনআইএইচ-এর অর্থায়নে পরিচালিত গ্লোবাল নেটওয়ার্ক ফর উইমেন এবং চিলড্রেনস হেলথ রিসার্চ গ্রুপ।
প্রসবের সময় নারীদের অ্যান্টিবডি টেস্ট করে যদি কভিড-১৯ রোগের উপস্থিতি পাওয়া যায়, তবেই তিনি গবেষণায় অংশ নেয়ার জন্য বিবেচিত হবেন।
করোনা আক্রান্ত নারীদের নির্ধারিত সময়ের আগে সন্তান জন্ম দেয়ার ঝুঁকি বেশি কি না এই গবেষণায় সে বিষয়ে নিশ্চয়তা পাওয়ার আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।
একই সঙ্গে ভ্রূণের বৃদ্ধির সীমাবদ্ধতা, নবজাতকের মৃত্যু এবং জন্মগত ত্রুটির বিষয়েও একটা ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তারা।
গর্ভাবস্থায় করোনা নিয়ে নারীদের মূল্যায়ন, নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতার মতো বিষয়ও পর্যবেক্ষণ করা হবে।
যেসব নারী গবেষণায় অংশ নেবেন তারা মার্কিন গবেষকদের ফলোআপ বিশ্লেষণ পর্বেও অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন। নবজাতকের ওপর করোনা প্রভাব ফেলে কি না, কীভাবে ফেলে সেসব মনিটর করা হবে ওই দিনগুলোতে।
কীভাবে এই গবেষণায় অংশ নেয়া যাবে, সে বিষয়ে বিবৃতিতে কিছু বলা হয়নি। তবে এসব গবেষণা মূলত সংশ্লিষ্ট দেশের স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে কিংবা বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের নিয়ে করা হয়। অনেক সময় অনলাইনে কিংবা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটেও বিজ্ঞাপন দেয়া হয়।