ঢাকা-৫ উপনির্বাচন

মনোনয়ন পেলে যাত্রাবাড়ী ডেমরা হবে মডেল শহর: হারুন-উর-রশীদ

ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রার্থীরা এলাকায় ব্যাপক প্রচারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এরমধ্যে যাত্রাবাড়ী-ডেমরা এলাকাকে উন্নত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ভোট প্রচারকাজে এগিয়ে রয়েছেন মনোনয়নপ্রত্যাশী মো. হারুন-উর-রশীদ। তিনি বলছেন, মনোনয়ন পেলে ও নির্বাচিত হলে এ আসনটিকে মডেল শহর হিসেবে গড়ে তুলবেন।

আসনটিতে মনোনয়ন দৌড়ে রয়েছেন প্রয়াত হাবিবুর রহমান মোল্লার ছেলে মশিউর রহমান সজল মোল্লা, ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফী, হারুনুর রশীদ মুন্না ও মনিরুল ইসলাম মানু। তারাও নিজেদের বিভিন্ন স্বপ্নের কথা বলে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।

ঢাকা-৫ (যাত্রাবাড়ী-ডেমরা) আসনে বারবার  নির্বাচিত সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লা গত ৬ মে মৃত্যুবরণ করায় এ আসনটি শূন্য হয়।

মনোনয়নপ্রত্যাশী হারুন-অর-রশীদ বুধবার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এ এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে দীর্ঘ সময় ধরে আমি কাজ করছি। মানুষ ভালো জানে, ভালোবাসে আমাকে। যেকোনো দুর্যোগে-দুঃসময়ে এই এলাকার মানুষ আমাকেই কাছে পায়। এলাকাবাসী মনে করে তাদের উপযুক্ত সেবক আমি। মনোনয়ন পেলে এবং নির্বাচিত হলে এই এলাকায় কোনো স্ট্যান্ড থাকবে না। মাছবাজার, বালুমহাল থাকবে না। চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসী কর্মকা- চলবে না।’ 

নৌকার প্রার্থী হিসেবে দেশের বিশিষ্ট শিল্পপতি, ত্যাগী ও পরীক্ষিত আওয়ামী লীগ নেতা মো. হারুন-উর-রশীদ মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। এ আসনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে দীর্ঘ সময় ধরে অবদান রাখা এ ব্যবসায়ী নেতাকে এবার মূল্যায়ন করার দাবি স্থানীয় আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের।

যাত্রাবাড়ী-ডেমরা এলাকাবাসী জানান, হাবিবুর রহমান মোল্লার অবর্তমানে আসনটির রাজনীতিতে নানা পরিবর্তনের আভাস ফুটে উঠেছে। অন্তঃকোন্দলের কিছুটা আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এ অবস্থায় এই আসনে দলকে সুসংগঠিত করতে পারেন মো. হারুন-উর-রশীদ। তাকে মনোনয়ন দেওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত হবে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন। তারা বলছেন, জনপ্রিয়তার বিচারেও পরিশ্রমী, সহজ-সরল, বিনয়ী ও মিষ্টভাষী এবং মিশুক হারুন-উর-রশীদ।

ব্যবসায়িক সফলতার পাশাপাশি হারুন-উর-রশীদ নেতৃত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন সংগঠনের। সদস্যদের সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত হয়ে টানা ছয় মেয়াদে পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই)। এফবিসিসিআইর ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি। রপ্তানিতে বিশেষ অবদানের জন্যও সাফল্যের মুকুট পরেছেন মাথায়। টানা ১৭ বার নির্বাচিত হয়েছেন কমার্শিয়াল ইম্পর্টেন্ট পারসন (সিআইপি)। বস্ত্র রপ্তানি খাতে পুরস্কার পেয়েছেন ১৬ বার। সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সদস্য, বাংলাদেশ গ্রে অ্যান্ড ফিনিশড ফেব্রিক্স মিলস অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং প্রাইভেট রেডিও ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ টুইস্টিং মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট তিনি। অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স-অ্যাটকোর পরিচালক এবং বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির প্রধান উপদেষ্টাও তিনি। হারুন-উর-রশীদ বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরও প্রতিষ্ঠাতা। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপকমিটির সদস্যও তিনি।