প্রি-কোয়ার্টারে জকোভিচ সিতসিপাসের বিদায়

জার্মানির জ্যান-লেনার্ড স্ট্রুফকে সরাসরি সেটে হারিয়ে ইউএস ওপেনের প্রি-কোয়ার্টারে উঠেছেন বিশ্ব টেনিসের নাম্বার ওয়ান খেলোয়াড় নোভাক জকোভিচ। হেরে বিদায় নিয়েছেন চার নম্বর বাছাই গ্রিসের স্টেফানো সিতসিপাস। আর মেয়েদের এককে তৃতীয় রাউন্ডে উঠেছেন নাওমি ওসাকা। জকো তার ১৮তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের পথে ভালোভাবেই এগোচ্ছেন। নিউ ইয়র্কের ফ্ল্যাশিং মিডোতে শুক্রবার ২৮তম বাছাই স্ট্রুফকে ৬-৩, ৬-৩, ৬-১-এ হারিয়েছেন ৩৩ বছর বয়সী জকোভিচ। চলতি মৌসুমে এটি তার টানা ২৬তম জয়। শেষ ষোলোয় জকোভিচের প্রতিপক্ষ ২০তম বাছাই স্পেনের পাবলো কারেনো বুস্তা।

এদিকে সিতসিপাসের ছিটকে যাওয়াটা নাটকীয়তায় ভরা। ছয়বার ম্যাচ পয়েন্ট থেকে ফিরে হেরে যান ক্রোয়েশিয়ার বর্না করিচের বিপক্ষে। ৪ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট স্থায়ী ম্যাচে সিতসিপাসকে ৬-৭ (২/৭), ৬-৪, ৪-৬, ৭-৫, ৭-৬ (৭/৪)-এ হারিয়ে থ্রিলার জেতেন ২৭তম বাছাই করিচ। ম্যাচের চতুর্থ সেটে দারুণভাবে ফিরে আসেন করিচ। এক সময় অবস্থা ছিল ১-৫, সেখান থেকে ৭-৫-এ জেতেন করিচ। পঞ্চম সেটও গড়ায় টাইব্রেকে। শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে কোর্ট ছাড়েন করিচ। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, আমি সৎভাবে বলতে চাই, আমি খুব লাকি ছিলাম। আমি অবিশ্বাস্যভাবে ফিরে এসেছি। শেষেও লাকি ছিলাম। তৃতীয় এবং চতুর্থ সেটে সে (সিতসিপাস) দারুণ খেলেছে। আমার তখন মনেই হয়নি কোনো ধরনের সুযোগ আছে।’ আন্দ্রিয়া ট্যুরে যে চারজন করোনা পজিটিভ হয়েছিলেন তার মধ্যে বর্না করিচও ছিলেন।

ওদিকে আলেকজান্ডার জেভেরেভ ও আদ্রিয়ান মান্নারিনোর ম্যাচটি ১ ঘণ্টার বেশি সময় পর শুরু হয়। ফরাসি মান্নারিনো ম্যাচ খেলতে পারবেন কি-না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল শঙ্কা। তার কারণ, করোনা আক্রান্ত স্বদেশি বেনোয়া পেয়ের সংস্পর্শে এসেছিলেন তিনি। তাই মান্নারিনোর খেলা নিয়ে নিউ ইয়র্ক রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্বেগ আছে। কিন্তু তৃতীয় রাউন্ডের আগে ঠিকই ম্যাচ খেলেছেন এই ফরাসি। মান্নারিনো বলেন, ‘এটি আমার জন্য অদ্ভুত পরিস্থিতি ছিল।’ পরে খেলা শুরু হলে জেভেরেভ ম্যাচটি ৬-৭ (৪/৭), ৬-৪, ৬-২, ৬-২ গেমে জেতেন।

নারী এককের তৃতীয় রাউন্ডে জয় পেয়েছেন ২০১৬ সালের চ্যাম্পিয়ন ও চতুর্থ বাছাই নাওমি ওসাকা। ১৮ বছর বয়সী ইউক্রেনের মার্তাকে ৬-৩, ৬-৭ (৪-৭), ৬-২ গেমে হারান জাপানের ওসাকা। মেয়েদের এককে প্রি-কোয়ার্টারে উঠেছেন ২০১৬ আসরের চ্যাম্পিয়ন জার্মানির অ্যাঞ্জেলিক কেরবার, ষষ্ঠ বাছাই চেক রিপাবলিকের পেত্রা কেভিতোভা ও ক্রোয়েশিয়ার পেত্রা মার্তিচ।