কথা কাটাকাটির জেরে খুন হয় কলেজছাত্র সোহাগ

রাজধানীর উত্তরখানে কলেজছাত্র সোহাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাজধানী ও গাজীপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগ। গ্রেপ্তাররা হলো সাদ আল রাফী (২০) ও মো. নাজমুল হুদা (২১)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, কথা কাটাকাটির জেরে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় সোহাগকে। এর আগে গত ২৭ আগস্ট রাতে উত্তরখানের খ্রিস্টানপাড়ার ডাক্তারবাড়ি মোড় এলাকায় খুন হন সোহাগ।

ডিএমপির গোয়েন্দা (ডিবি) উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. কায়সার রিজভী কোরায়েশী জানান, কলেজছাত্র সোহাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উত্তরখান থানায় একটি মামলা করেন সোহাগের বড় ভাই। এরপর থেকেই ঘটনাটি নিয়ে থানা পুলিশের পাশাপাশি ডিবি পুলিশও ছায়া তদন্ত করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে খিলগাঁওয়ের গোড়ান এলাকা থেকে রাফীকে এবং রাত সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুরের গাছা এলাকা থেকে নাজমুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, ২৭ আগস্ট রাতে গায়ে কাদাপানি লাগা নিয়ে এক রিকশাচালককে মারধর করে হৃদয় নামে একজন। এ ঘটনায় মারধরের কারণ জানতে চাওয়ায় হৃদয়ের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে সোহাগ। এরপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে সোহাগের সঙ্গে প্রথমে তর্কাতর্কি ও পরে সংঘর্ষে জড়ায় হৃদয়ের বন্ধুরা।

একপর্যায়ে সোহাগের পেটে ছুরিকাঘাত করে মাহবুবুল ইসলাম নামে একজন। পরে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা সোহাগকে মৃত ঘোষণা করেন।