ইউএনওর ওপর হামলা: চালক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে নিয়ে গেছে পুলিশ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলীর উপর হামলার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরো দুই ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। 

সোমবার ঘোড়াঘাট থানার ওসি আমিরুল ইসলাম দশ রূপান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।  

তিনি বলেন, সোমবার প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরো দু'জনকে আটক করে পুলিশ। এদের মধ্যে একজন উপজেলা ভূমি অফিসের গাড়িচালক ইয়াসিন আলী (৩০) এবং অপরজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরসোলা হেমব্রম (৩৮)। 

তিনি জানান, তাদের উপজেলা চত্বর থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

বুধবার রাতে ইউএনওর সরকারি বাসভবনে ঢুকে ওয়াহিদা ও তার বাবার ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। ইউএনওর মাথায় গুরুতর আঘাত এবং তার বাবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। 

পরে ইউএনওকে প্রথমে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) নিয়ে ভর্তি করা হয়। এরপর তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় আনা হয়। তিনি বর্তমানে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে হামলার শিকার ইউএনও ওয়াহিদা খানমের বড় ভাই শেখ ফরিদ উদ্দিন বাদী হয়ে  ঘোড়াঘাট থানায়একটি মামলা দায়ের করেন। শনিবার মামলার আসামি রং মিস্ত্রি নবীরুল ইসলাম ও সান্টু রায়কেও ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিশির কুমার বসু। 

রবিবার সকাল থেকে নবীরুল ও সান্টু রায়ের রিমান্ড শুরু হয়েছে। এই মামলার প্রধান আসামি আসাদুল ইসলামকে রবিবার বিকেলে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করে ডিবি পুলিশ। বিচারক প্রধান আসামি আসাদুলের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রাথমিকভাবে তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া র‌্যাব জানিয়েছে, চুরির উদ্দেশ্যে ইউএনওর ওপর হামলা হয় বলে আটক আসাদুল তাদের জানিয়েছেন।