২০১৮ সালে সরকার বিরোধী আন্দোলনের সময় সরকারি এক কর্মকর্তাকে হত্যা করার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ইরানের তরুণ এক কুস্তিগিরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে দেশটির আদালত।
শনিবার সকালে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর শিরাজে রেসলার নাভিদ আফকারির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে প্রাদেশিক প্রসিকিউটর জেনারেল কাজেম মুসাবির বরাত দিয়ে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।
অর্থনৈতিক মন্দা, সামাজিক হয়রানির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাঝামাঝিতে শিরাজসহ ইরানের বেশ কয়েকটি শহরে সরকার বিরোধী তীব্র আন্দোলন হয়।
আন্দোলন চলাকালে ওই বছরের ২ আগস্ট ইরান সরকারের পানি বিভাগের হুসেইন তুর্কমান নামে এক কর্মকর্তাকে আফকারি ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ওই মামলাতেই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় ২৭ বছর বয়সী কুস্তিগিরকে।
ফারস প্রদেশের প্রসিকিউটর জেনারেল মুসাবি জানান, ভিক্টিমের পরিবারের ‘তাগিদেই’ শাস্তি কার্যকর করা হয়েছে।
আফকারির আইনজীবী হাসান ইউনেসি টুইটারে জানিয়েছেন, ক্ষমার জন্য হুসেইন তুর্কমানের পরিবারের কাছে অনেকে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে সাড়া মেলেনি। তবে রায়টি কার্যকরে প্রশাসনের তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবী ইউনেসি।
আফকারিকে মৃত্যুদণ্ড না দিতে ইরান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রয়োজনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পক্ষে মত দেন তিনি। কিন্তু এসবে পাত্তা না দিয়ে রায়টি কার্যকর করল ইরান।