নৈতিক ও আর্থিক অধিকার আদায়ের প্রত্যয় কণ্ঠশিল্পী পরিষদ বাংলাদেশের

১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হলো সদ্য গঠিত ‘কণ্ঠশিল্পী পরিষদ বাংলাদেশ’ এর প্রথম সাধারণ সভা। বর্তমান অস্থায়ী আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার সভাপতিত্বে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমে অনুষ্ঠিত এই সভায় দেশের বিভিন্ন প্রজন্মের ৭০ জন সংগীতশিল্পী অংশ নেন। সভার শুরুতেই বিগত সময়ে প্রয়াত সকল সংগীতশিল্পীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও তাদের আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করা হয় সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি।

তারপর সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন আহ্বায়ক  রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ‘এই সংগঠনের ব্যাপ্তি সারা দেশে পর্যায়ক্রমে ছড়িয়ে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। আমরা কণ্ঠশিল্পীদের আর্থিক ও নৈতিক অধিকার আদায়ে কাজ করতেই একতাবদ্ধ হয়েছি।’

এরপর যথাক্রমে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহ্বায়ক কুমার বিশ্বজিৎ ও হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল। কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, ‘সংগঠনের শুরুতে সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আমরা চাইব নতুন প্রজন্ম আমাদের সংগীতাঙ্গনের হাল ধরতে এগিয়ে আসবে।’

হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল বলেন, ‘আমাদের এই সংগঠন শুধু পিকনিক করার জন্য হয়নি, বিশ্ব সংগীত জগৎ যেভাবে প্রযুক্তিগত দিক থেকে এগিয়েছে আমাদেরও তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সেই লক্ষ্যে কাজ করবে কণ্ঠশিল্পী পরিষদ বাংলাদেশ।’

টেলিফোনে শুভেচ্ছা জানান উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য খুরশিদ আলম ও ইন্দ্রমোহন রাজবংশী। এরপর শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নিয়াজ মোহাম্মাদ চৌধুরী, লিনু বিল্লাহ,  রফিকুল আলম, ফকির আলমগীর, তপন মাহমুদ, ফাতেমা তুজ জোহরা, কিরণ চন্দ্র রায়, তপন চৌধুরী, নকিব খান, রুমানা মোরশেদ কনকচাঁপা।

সভায় সংগঠনের গঠনতন্ত্র প্রণয়ন ও সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দুইটি উপ কমিটির প্রস্তাব পাশ করা হয়। তার আগে ৪২ সদস্য বিশিষ্ট অস্থায়ী আহ্বায়ক কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে ছয় মাসের জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয় নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি আহ্বায়ক কমিটি শিল্পীদের আর্থিক ও নৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিজেদের অবস্থান জানাতে কিছু দাবি ও পর্যবেক্ষণ কপিরাইট অফিসের কাছে পেশ করবে। সভা সঞ্চালনা করেন হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল ও জয় শাহরিয়ার।