নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মিশ্রিপাড়া এলাকায় এনজিওকর্মী মো. সাজিদুর রহমানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে লাশ ঘটনাস্থলে রেখে রক্তমাখা জামা-কাপড় পরিহিত অবস্থায় পালিয়ে যায় আসামি শারমিন আক্তার। আদালতে ঘটনার এমন বিবরণ দিলেন সাক্ষী মোহাম্মদ আলী।
নিহত সাজিদুর রহমান টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মীরপুর গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
সোমবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাউসার আলমের আদালতে ১৬৪ ধারা মতে তার জবানবন্দি দেন মোহাম্মদ আলী। এর আগে তার বক্তব্য ১৬১ ধারা মতে আলাদা কাগজে লিপিবদ্ধ করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মিস্ত্রীপাড়া গ্রামে এই হত্যাকান্ড ঘটে। পরবর্তীতে ক্রাইম সিনের সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে মরদেহ পাঠায়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বারদী ইউনিয়নের মিস্ত্রীপাড়া এলাকার শামসুদ্দিনের ছেলে হান্নানের স্ত্রী শারমিন আক্তার ‘ব্যুরো বাংলাদেশ’ নামের একটি এনজিও বারদী শাখা থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন সপ্তাহে ১২৫০ টাকা করে পরিশোধের শর্তে। ৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে ওই কিস্তির টাকা আদায় করতে এনজিওকর্মী সাজিদুর রহমান মো. হান্নানের বাড়িতে যান। পরে হান্নানের বাড়ি থেকে সাজিদুর রহমানের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ওই এনজিরও বারদী শাখার ব্যবস্থাপক মো. শামীম বাদী হয়ে হান্নান তার স্ত্রী ও দেবরের নাম উল্লেখ করে সোনারগাঁ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
এ দিকে হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত আসামি শারমিন আক্তারকে র্যাব-১১ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার টিটিরচর গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে।