কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওর ভ্রমণই যে কাল হল বাবা-ছেলের। দেখা হলো না হাওয়ারে সুন্দর মনোরম পরিবেশ। নিকলী না দেখে চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
শেরপুরের শ্রীবরদী থেকে কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওর ভ্রমণে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ময়মনসিংহের নান্দাইলে পিকআপ- মাইক্রোবাস মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিহত হয়েছে। আরো ১২ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
নিহতরা হলো- ছেলে তুরান (৫), বাবা ফাহাদ আলম (৩২) ফাহাদ আলমের খালা ঝর্ণা বেগম (৪০)। তাদের বাড়ি শ্রীবরদী উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের চিথলিয়াপাড়া (সওদাগর বাড়ি)। শনিবার সকালে ময়মনসিংহ- কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে উপজেলা ডাংরী নামক স্থানে ওই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ফাহাদ আলমের শ্বশুর বাড়ি শ্রীবরদী উপজেলার রাণীশিমূল ইউনিয়নের ভায়াডাঙ্গা এলাকা থেকে কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওরে ভ্রমনে যাওয়ার পথে মাইক্রোবাসটি নান্দাইলের ডাংরী নামক স্থানে ময়মনসিংহ গামী একটি পিকআপের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শিশু তুরানের মৃত্যু হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ফাহাদ আলমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাস্তায় তার মৃত্যু পরে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঝর্ণা বেগমের মৃত্যু হয়।
ওই ঘটনায় আহত ৭ জনকে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও বাকী ৫ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।