চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় হঠাৎ করে দেখা দিয়েছে ধনাগোদা নদীর ভাঙন। গত শুক্রবার রাতে এই ভাঙন দেখা দেয়। এতে ফরাজিকান্দি ইউনিয়নের জনতা বাজার এলাকায় নদীতীরের ২০০ মিটার অংশ বিলীন হয়ে গেছে। নদীর পাড় ও ব্লক দেবে যাওয়ায় ঝুঁকিতে রয়েছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বাঁধ। বাঁধ রক্ষায় স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ১৭ হাজার হেক্টর ফসলি জমি নিয়ে গড়ে ওঠা এলাকাটি বিলীন হওয়ার শঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
গতকাল শনিবার দুপুরে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে আসেন চাঁদপুর-২ আসনের সাংসদ নুরুল আমিন রুহুল, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কাজী তোফায়েল হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী (পূর্বাঞ্চল, কুমিল্লা) জহির উদ্দিন আহমেদ।
মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, সংবাদ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করেছি। বালুভর্তি আড়াই হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। মোট ৮ হাজার বস্তা ফেলা হবে।
এদিকে সিরাজগঞ্জে গত দুদিন ধরে যমুনা নদীতে পানি বাড়তে থাকায় সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নের সিমলা ও পাঁচঠাকুরি এলাকায় নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনে গতকাল শনিবার সকালে পাঁচঠাকুরি এলাকার একটি মসজিদ যমুনায় বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া যমুনায় বিলীন হয়েছে ওই এলাকার শতাধিক বাড়িঘরও।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, ওই এলাকায় তীব্র ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হওয়ায় মসজিদটি রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তবে দুপুর থেকে বস্তা ফেলার কাজ শুরু হয়েছে।