চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি (ব্যবস্থাপনা পরিচালক) প্রকৌশলী একেএম ফজলুল্লাহর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্টে। আদেশ প্রাপ্তির এক মাসের মধ্যে এসব তথ্য আদালতকে জানাতে হবে। এ সংক্রান্ত একটি রিট
আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. নওশের আলী মোল্লা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে দুদক কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা এক মাসের মধ্যে হাইকোর্টকে জানাতে বলা হয়েছে।’
সম্প্রতি চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি ফজলুল্লাহর অনিয়ম, দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। চট্টগ্রামের মোমিন রোডের একজন বাসিন্দা এসব প্রতিবেদন যুক্ত করে গত ১১ সেপ্টেম্বর দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক বরাবর একটি অভিযোগ জমা দেন। কিন্তু এ বিষয়ে সাড়া না পাওয়ায় হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন তিনি। আবেদনে চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্তে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করা হয়। এতে এলজিআরডি সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, চট্টগ্রাম ওয়াসা, চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ড, চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি, দুদকসহ বেশ কয়েকজনকে বিবাদী করা হয়। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. ইকরাম উদ্দিন খান।