পাবনা-৪ উপনির্বাচন: আ. লীগ প্রার্থী নুরুজ্জামান বিশ্বাস বিজয়ী

কোন রকম সহিংস ঘটনা ছাড়াই পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার এই নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি কেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করা হয়। এ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন এই অঞ্চলের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, মুজিব বাহিনীর প্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বিশ্বাস। তিনি পর পর তিনবার ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

শনিবার রাতের বেসরকারি ফলাফলে নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৩৯ হাজার ৯শ ২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে হাবিবুর রহমান হাবিব পেয়েছেন ৫ হাজার ৫ শ ৭৬ ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী রেজাউল করিম খোকন পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৪ ভোট।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, পাবনা-৪ আসনে এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৮১ হাজার ১১২ জন।

এদিকে বেলা ১২টার দিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান তার সাহাপুরস্থ বাসভবনের সামনে জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনে অনিয়ম, বিএনপি নেতা-কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও ভোটকেন্দ্র দখলের অভিযোগ করে এই নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানান।

হাবিব বলেন, পাবনা-৪ আসনের এই উপনির্বাচনে কোন ভোটকেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের কোন পোলিং এজেন্ট দিতে পারিনি, যাদের পোলিং এজেন্ট করা হয়েছিল তাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের এলাকা ছাড়া করা হয়েছে।

হাবিব বলেন, আমি প্রার্থী হয়েও ধানের শীষে ভোট দিতে পারিনি।

নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নির্লিপ্ততা অভিযোগ করে তিনি বলেন, প্রহসনের এই নির্বাচন বাতিল করে পাবনা-৪ আসনে পুনরায় নির্বাচন দিতে হবে। তিনি বলেন, ‘এই ভোটকে ভোট মনে করি না। আমাদের নেতা-কর্মীরা ভোট দিতে যায়নি।’

ভোট বর্জন করছেন কি না, এ প্রশ্নের জবাবে হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, ‘ভোটই তো হয়নি। এখানে বর্জন করব কী? তিনি নতুন করে নির্বাচন অনুষ্ঠান আয়োজনের দাবি জানান।