পাপিয়া দম্পতির বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার রায় ১২ অক্টোবর

অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়ার পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়েছে। ১২ অক্টোবর এ মামলার রায় ঘোষিত হবে।

রবিবার ঢাকা মহানগরের ১ নম্বর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ রায় ঘোষণার এ তারিখ ঠিক করেন।

মামলার অপর আসামি পাপিয়ার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরীর পক্ষে আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন আগেই শেষ করা হয়। এ সময় তারা আদালতে হাজির ছিলেন।

ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু বলেন, মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামিদের বিরুদ্ধে আমরা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। রায়ে আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদন্ড হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী এ এফ এম গোলাম ফাত্তাহ বলেন, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়নি। রায়ে তারা খালাস পাবেন।

এ মামলায় ১২ জনের মধ্যে সবাই আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

গত ২৯ জুন ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাবের উপ-পরিদর্শক আরিফুজ্জামান আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে ১২ জনকে সাক্ষি করা হয়েছে ।

এর পর ২৩ আগস্ট পাপিয়া ও মফিজুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি দেশ ছেড়ে যাওয়ার সময় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুই সহযোগীসহ পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুরকে আটক করে র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্ট, দুই লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ টাকার জাল নোট, ১১ হাজার ৪৮১ ডলার, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের কিছু মুদ্রা ও দুটি ডেবিট কার্ড জব্দ করে। পরে পাপিয়ার ফার্মগেটের ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ২০টি গুলি, পাঁচ বোতল বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড উদ্ধার করে র‌্যাব।

এ ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় অস্ত্র আইনে একটি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি এবং বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরেকটি মামলা করা হয়।