নাগরিক সেবায় যত বেশি ইতিবাচক, তত বেশি পুরস্কার: আইজিপি

ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, ‘গণমানুষের কল্যাণে নাগরিক সেবায় পুলিশের যেকোনো প্রান্তের যেকোনো সদস্য যত বেশি ইতিবাচক কাজ করবেন তত বেশি পুরস্কার ও প্রণোদনা প্রদান করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘সমন্বিত উন্নয়নের জন্য জনবান্ধব পুলিশিংয়ের কোনো বিকল্প নেই, সে জন্যই আমরা পুলিশিং সেবাকে নাগরিকদের দোরগোড়ায় নিতে চাই। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রাক্কালে সুন্দরবনের নিখোঁজ হওয়া ৬ কিশোর উদ্ধারে পুলিশের সদস্যরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যেভাবে দুঃসাহসিক অভিযান পরিচালনা করেছেন, এটি তারই প্রমাণ।’

গত ২৮ মে সেই উদ্ধার অভিযানে পুলিশের সাহসী সদস্য এবং পুলিশকে সহায়তাকারী স্থানীয় নাগরিকদের বিশেষ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এই কথাগুলো বলেন আইজিপি।

সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯ এর কলটেকার কনস্টেবল পপি আক্তার, বাগেরহাটের ধানসাগর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই আজিম উদ্দিন, নায়ক মো. মনিরুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. জামিল হোসেন, কনস্টেবল মো. জমিরুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. আবুল কালাম, কনস্টেবল মো. টুকু মিয়া, কনস্টেবল মো. জহিরুল ইসলাম এবং স্থানীয় নাগরিক মো. ছগীর আকন, মো. মিলন ফরাজী, মুহাম্মদ সগীর হাওলাদার, এবং সোহাগ হাওলাদারদের  আইজিপির পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা, সার্টিফিকেট ,ক্রেস্ট ও প্রণোদনা প্রদান করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আইজিপি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯ আমাদের ত্বরান্বিত, গতিশীল এবং সমন্বিত সেবা প্রদান করতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে।

আইজিপি বলেন, পুলিশের সদস্যরা প্রতিনিয়ত নানা প্রান্তে নানাভাবে ইতিবাচক নাগরিক বান্ধব কাজ করে চলেছে। সেই সব ভালো কাজ আমাদের দৃষ্টিতে আনতে হবে, যাতে আমরা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে তাদের প্রণোদনা প্রদান ও পুরস্কৃত করতে পারি।

তিনি এও উল্লেখ করেন যে, সুন্দরবনে নিখোঁজ ৬ কিশোর উদ্ধারের মডেলটি স্থানীয় নাগরিক ও পুলিশের মেলবন্ধনের একটি দৃষ্টিনন্দন ও অনুকরণীয় উদাহরণ। পুলিশের সময়োপযোগী ও সমন্বিত উদ্যোগ না থাকলে হয়তো সম্ভাবনাময়ী ওই ৬ কিশোরের জীবন বিপন্ন হতে পারত! ভালো কাজের কোনো শেষ নেই,তাই আমাদের প্রতিনিয়ত অধিকতর ভালো কাজ করে যেতে হবে।

উক্ত সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের অ্যাডিশনাল আইজিপি, ডিআইজিসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।