গণপিটুনিতে রেনু হত্যা মামলায় চার্জশিট গ্রহণ ২ নভেম্বর

রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে তাসলিমা বেগম রেনু হত্যার ঘটনায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) গ্রহণের জন্য ২ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার মামলার চার্জশিট গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার মূল নথি সিআরমিসে থাকায় ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরি নতুন এদিন ধার্য করেন।

এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ১৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর আব্দুল হক।

চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন- ইব্রাহিম ওরফে হৃদয় মোল্লা, রিয়া বেগম ময়না, আবুল কালাম আজাদ, কামাল হোসেন, মো. শাহিন, বাচ্চু মিয়া, মো. বাপ্পি, মুরাদ মিয়া, সোহেল রানা, আসাদুল ইসলাম, বেল্লাল মোল্লা, মো. রাজু ও মহিন উদ্দিন। এদের মধ্যে মহিন উদ্দিন পলাতক। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।

আসামি জাফর হোসেন পাটোয়ারী ও ওয়াসিম আহমেদ অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে দোষিপত্র দেয়া হয়েছে। আলিফ, মারুফ, সুমন ও আকলিমা এই চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ না পাওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা তাদের অব্যাহতির আবেদন করেছেন।

২০১৯ সালের ২০ জুলাই সকালে সন্তানের ভর্তির বিষয়ে জানতে উত্তর বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যান তাসলিমা বেগম রেনু। সেখানে ছেলেধরা সন্দেহে বেধড়ক পেটায় কিছু উচ্ছৃঙ্খল মানুষ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রেনুকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় রেনুর বোনের ছেলে সৈয়দ নাসিরউদ্দিন টিটু বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় অজ্ঞাত ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। গত বছরের ২৭ আগস্ট রেনুর পরিবারকে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রশ্নে রুল জারি করে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।