যেকোনো দুর্যোগে, যেকোনো পরিস্থিতিতে মানুষ যখন কোনো অসহায় অবস্থায় পড়েছে তখন পুলিশ পাশে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।
তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ দমন থেকে শুরু করে কোভিড পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশের ভূমিকা আমাদের মনে করিয়ে দেয় বঙ্গবন্ধুর সেই ‘জনতার পুলিশের’ কথা। আমরা এখন তাদের নাগরিক সেবার প্রত্যয় দেখে গর্ববোধ করি।
বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তরে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিধির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের মোস্তফা সিনিয়র সচিব কামাল উদ্দীন, অতিরিক্ত সচিব ড. মো. হারুন-অর-রশিদ বিশ্বাস, পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সভায় নাগরিক সেবাকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে অধিকতর ত্বরান্বিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সেই সঙ্গে পুলিশের দুই লক্ষাধিক সদস্য যাতে বিকেন্দ্রিভূত হয়ে নিবিড় পুলিশিং সেবা জনগণের দোরগোঁড়ায় পৌঁছে দিতে পারে, সে জন্য তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে ‘পুলিশ মেডিকেল সার্ভিসেস’ গঠনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা আলোচনা করা হয়।
তিনি বলেন, পুলিশের সদস্যরা যাতে ঢাকামুখী না হয়ে, জেলা শহরকেন্দ্রিক চাকরির চিন্তা করেন সেজন্য বিভাগীয় পর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের সন্তানদের জন্য উন্নতমানের বিদ্যাপীঠ প্রকল্প নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। পুলিশ ধীরে ধীরে সত্যিকার অর্থেই বঙ্গবন্ধুর ‘জনতার পুলিশ’ ও প্রধানমন্ত্রীর ‘জনবান্ধব পুলিশে’ রূপান্তরিত হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন বলেন, পুলিশ ইতিমধ্যে অপরাধ নির্মূলে তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন। ভবিষ্যতমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর ও চৌকস এ বাহিনীর সদস্যদের সার্বিক কল্যাণে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।