ইন্টারভিউর আগে যেসব প্রশ্নের উত্তর তৈরি রাখবেন

ইন্টারভিউর ওপরই নিশ্চিত হওয়া যায় চাকরি পাওয়া না পাওয়ার বিষয়টি। ফলে ইন্টারভিউর ডাক পাওয়ার পর মানসিক চাপ হয় আর এতে অনেকের  মনে ভয়ভীতি কাজ করে।

তবে কিছু প্রশ্নের উত্তর আগ থেকে তৈরি থাকলে ইন্টারভিউ নিয়ে আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে। এসব প্রশ্ন অধিকাংশ প্রার্থীকেই জিজ্ঞাসা করা হয়ে থাকে। আসুন এসব প্রশ্ন ও সম্ভাব্য উত্তর কী হতে তা দেখে নিই।

নিজ সম্পর্কে কিছু বলুন

ইন্টারভিউ বোর্ডে অধিকাংশকেই এই প্রশ্ন করা হয়। এর উত্তরে মূলত অল্প কথায় আপনার পরিচয় জানতে চান বোর্ডের সদস্যরা। এ ছাড়া আপনি নিজেকে কীভাবে উপস্থাপন করছেন সেটিও দেখেন তারা। ফলে এই প্রশ্নের উত্তর হওয়া উচিত সহজ, সাবলীল ও স্মার্ট। উত্তরে আপনার কাজের ইতিহাস, যোগ্যতা, শিক্ষাসহ অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী কাজ সম্পর্কে ভুলবেন না। কোন যোগ্যতার কথা আগে বলবেন সেটি ঠিক করে নিতে হবে। তবে মিলিয়ে দেড় থেকে দুই মিনিটের বেশি সময় নেয়া যাবে না।

আপনার সাফল্য কী?

এর উত্তরে মূলত কর্মক্ষেত্রে আপনার সাফল্য সম্পর্কে জানতে চান বোর্ডের সদস্যরা। ফলে জীবনের অন্যান্য সফলতার বিষয় এখানে না আনলেও চলবে। এক দেড় মিনিটের মধ্যে কর্মক্ষেত্রে আপনার অর্জন ও সাফল্য নিয়ে বলবেন। তবে কোনোভাবে বাহুল্য বা অতিরিক্ত কথা বলে সময় নষ্ট করা উচিত নয়।

 আপনার নেতিবাচক দিকগুলো কী?

এই প্রশ্নের মাধ্যমে নিয়োগকর্তা আপনার সততা ও সাহসিকতা যাচাই করে থাকেন। নিজের সম্পর্কে এমন কিছু নেতিবাচক দিক নিয়ে বলুন, যেটা নিয়ে আপনার কোনো আক্ষেপ নেই বা সেগুলোকে জয় করতে আপনি চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

আগের কর্মস্থল কেন ছাড়লেন?

আগের কর্মস্থল নিয়ে নেতিবাচক কিছু না বলাই উচিত। মূলত আপনার পেশাদারি সম্পর্কে যাচাই করতে এ প্রশ্ন করা হয়। এর উত্তর হতে পারে, আরও বড় প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ বা কাজের পরিবেশের কারণে আগের কর্মস্থল ছেড়েছেন আপনি। কোনোভাবেই আগের বস সম্পর্কে খারাপ কিছু বলা যাবে না।

আপনি এখানে কেন কাজ করতে চান?

এ প্রশ্নের উত্তরে প্রতিষ্ঠান নিয়ে আপনার কেমন জানাশোনা আছে সেটি বুঝতে চান নিয়োগকর্তারা। ফলে যখন চাকরির জন্য আবেদন করবেন তখন অবশ্যই প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে আপনাকে জেনে নিতে হবে। প্রতিষ্ঠানের ভালো দিক, অর্জন ও সাফল্যগুলো গুরুত্ব পাবে আপনার উত্তরে। ইন্টারভিউতে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে নেতিবাচক এমন কিছু বলা যাবে না, যাতে নিয়োগদাতারা অসন্তুষ্ট হন।