গোলরক্ষক ইয়োহান পাদিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় বিকল্প হিসেবে হারনান গালিন্দেজকে জরুরি ভিত্তিতে ডেকেছেন ইকুয়েডরের আর্জেন্টাইন কোচ গুস্তাফো আলফারো। ৩৩ বছর বয়সে জাতীয় দলে ডাক পেলেন গালিন্দেজ। আর তাই শৈশবের সহযাত্রী মেসির মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ হয়ে গেছে তার। গালিন্দেজেরও জন্ম রোজারিও-তে, যে শহরে জন্মেছেন আজকের লিওনেল মেসি।
গালিন্দেজ ২০১২ সালে চলে আসেন ইকুয়েডরে। ইকুয়েডরের নাগরিকত্ব পেয়েছেন সম্প্রতি। ২০০৮ সালে রোজারিও সেন্ট্রালের মূল দলে যোগ দেন গালিন্দেজ। খেলেছেন আর্জেন্টিনার প্রথম বিভাগ ফুটবলে। তার আগে শৈশবে বয়সভিত্তিক দলে মুখোমুখি হয়েছেন মেসির। তখন ফরোয়ার্ড হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা গালিন্দেজ ৫ বছর বয়সে মোড় পাল্টে হয়ে যান গোলরক্ষক। এক ম্যাচে তাদের গোলরক্ষক চোট পাওয়ায় সেই যে গোলপোস্টের নিচে দাঁড়ালেন আর উঠে আসা হয়নি। তিনি জানান, ‘পজিশন পাল্টানোর পর ওদের প্রথম গোলটা বানিয়েছিল মেসি। আমরা ছিলাম সমবয়সী, একই এলাকা থেকে উঠে আসা, পরে সে আমার চেয়ে ভালো হয়ে যায়।’
মেসি তখনই কতটা ভালো ছিলেন সে নিয়েও স্মৃতিচারণ করেন গালিন্দেজ, ‘আমরা একসঙ্গে বড় হয়েছি। সব ফাইনালেই একে অপরের মুখোমুখি হয়েছি। তবে একটা ম্যাচে ওকে (মেসি) হারানোর ডিভিডি এখনো সংগ্রহে আছে। ওরা প্রায় জিতেই গিয়েছিল। ছোট থাকতেই সে বুঝিয়ে দিয়েছিল কত বড় খেলোয়াড় হবে। সবাই ওর কথা বলত। এরপর তো ১২ বছর বয়সে স্পেন চলে গেল। আর কখনো একে অপরের মুখোমুখি হইনি।’
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে শৈশবের সেই প্রতিদ্বন্দ্বীকে পেয়ে কী করবেন। পুরনো স্মৃতিচারণ করবেন না ভিন্ন কিছু। নাকি ‘অটোগ্রাফ’ নেবেনÑ এ প্রশ্নের জবাবে গালিন্দেজ বলছেন, ‘ম্যাচ শেষে দেখা যাবে, আপাতত আমরা শুধুই প্রতিদ্বন্দ্বী।’