কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সপ্তাহ ধরে চলা সংঘর্ষ গোলাগুলি ও হতাহতের ঘটনায় ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত কুতুপালং ১নং ক্যাম্প এবং আশপাশের ক্যাম্পে পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) সদস্যরা অভিযান চালিয়ে এদের আটক করে।
আটকরা সবাই কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের রোহিঙ্গা এবং তাদের বিরুদ্ধে কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পে গত এক সপ্তাহ ধরে সংঘর্ষ গোলাগুলি ও খুনখারাবির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে বলে উখিয়া থানার পরিদর্শক তদন্ত গাজী সালাউদ্দীন জানিয়েছেন।
গত ৩০ সেপ্টেম্বরের পর থেকে কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গাদের দুটি সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে চলা সংঘাতে এ পর্যন্ত এ নারীসহ ৮ জন নিহত হয়েছেন।
আহত হয়েছেন শতাধিক রোহিঙ্গা। ঘরবাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে কমপক্ষে দেড় শতাধিক। নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশি বাসিন্দা রয়েছে। তিনি পেশায় গাড়ির চালক। তার নাম নুরুল হুদা। তিনি টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
মঙ্গলবার বিকেলে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পারিবারিক অনুষ্ঠানে গিয়ে রোহিঙ্গাদের সংঘর্ষের মাঝখানে পড়ে মারা যায় বলে জানিয়েছেন নিহতের ভাই ইসমাঈল। উখিয়া থানার পুলিশ জানান ক্যাম্পে হতাহতের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫টি মামলা হয়েছে।
এদিকে কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের আটকের জন্য আরো অভিযান চালানো হবে জানিয়েছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ এর ডিআইজি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।