পুরানের ব্যাটে আসরের দ্রুততম ফিফটি

পড়ে পাওয়া সুযোগটা কী দারুণ ভাবেই না কাজে লাগালেন নিকোলাস পুরান! কম্বিনেশনের কারণে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের একাদশে জায়গা হারাতে বসেছিলেন। শেষমেশ ক্রিস গেইল অসুস্থ হয়ে পড়ায় আরো একটা ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ আসে তার সামনে। বৃহস্পতিবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে পাওয়া সেই সুযোগ পুরোপুরিই কাজে লাগিয়েছেন পুরান। উপহার দিয়েছেন এবারের আইপিএলে দ্রুততম ফিফটি।

ফর্মে ছিলেন না, এমনটা বলা যাবে না। বরং যতটুকু সুযোগ পেয়েছেন, ব্যাট হাতে নিজের ছাপ রেখেছেন। এরপরও শুধুমাত্র কম্বিনেশনের স্বার্থে পাঞ্জাবের একাদশ থেকে বাদ পড়ার সম্ভাবনা ছিল তার।

টানা ৫ ম্যাচ বসে থাকা ক্রিস গেইলের মাঠে নামা চূড়ান্ত ছিল। শেষ মুহূর্তে পেটের পীড়ায় ছিটকে যান তিনি। সুবাদে পুরানের সামনে খুলে যায় মাঠে নামার দুয়ার। এমন সুযোগ পাওয়া ম্যাচে একাদশে নিজের জায়গা আরো কিছুদিনের জন্য নিশ্চিত করলেন ক্যারিবিয়ান উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান।

এদিন ২ চার ও ৬ ছক্কায় মাত্র ১৭ বলে ৫০ রান ছুঁয়ে ফেলেন পুরান। শারজায় চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে রাজস্থান রয়্যালসের সঞ্জু স্যামসন ১৯ বলে ফিফটি করেছিলেন। আইপিএল ২০২০-এ সেটাই ছিল এত দিন দ্রুততম অর্ধ শতরান। হায়দরাবাদ বনাম পাঞ্জাব ম্যাচে পুরান পেছনে ফেলে দেন স্যামসনকেও।

সব আসর মিলে দ্রুততম অর্ধ শতরানের সার্বিক তালিকায় যুগ্ম চতুর্থ স্থান দখল করে নিয়েছে এই ক্যারিবিয়ান তারকার ইনিংস। আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বলে ফিফটির রেকর্ড লোকেশ রাহুলের দখলে। ২০১৮ সালে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে পাঞ্জাবের হয়ে ১৪ বলে ফিফটি করেন রাহুল। এ ছাড়া ১৫ বলে ফিফটি করেছেন দুই কেকেআর তারকা ইউসুফ পাঠান ও সুনীল নারিন। ১৬ বলে ফিফটি রয়েছে সুরেশ রায়নার। পুরান ছাড়া আইপিএলে ১৭ বলে ফিফটি করেছেন ক্রিস গেইল, হার্দিক পান্ডিয়া, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, ক্রিস মরিস, ইশান কিষান, কিয়েরন পোলার্ড ও সুনিল নারিন।

পুরান এই ম্যাচে ৫ চার ও ৭ ছক্কায় ৩৭ বলে ৭৭ রান করে আউট হন। তার দল অবশ্য হেরেছে ৬৯ রানের বিশাল ব্যবধানে।