এক বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের এক নারী বিজ্ঞানীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন গ্রিসের এক কৃষক, যার দাবি ‘শয়তান আশ্রিত হয়ে’ ওই ঘটনা ঘটিয়েছিলেন তিনি।
গ্রিসের দ্বীপ ক্রেতেতে মঙ্গলবার কৃষকের বিরুদ্ধে ওই হত্যা মামলার বিচার শুরু হয়েছে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন এক পুলিশ অফিসার।
ধর্ষণ ও হত্যার শিকার মার্কিন সেই বিজ্ঞানীর নাম সুজানে এটন, জার্মানির ড্রেসডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাক্স প্লাঙ্ক ইনস্টিটিউটের মলিকিউলার বায়োলজিস্ট ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালের গ্রিসের ছানিয়ে দ্বীপের পাশে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
পরে এই হত্যার অভিযোগ আনা হয় সেখানকার কৃষক দুই সন্তানের বাবা ইয়ান্নিস পারাসকাকিসের বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে জবাই করে হত্যা, ধর্ষণ ও অবৈধ অস্ত্র রাখা অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।
এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এক পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, ছয় ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদে পারাসকাকিস ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন।
“তিনি বলেছেন, শয়তান দ্বারা আশ্রিত ছিলেন তিনি। এসব করার জন্য শয়তানই নির্দেশ দিয়েছে।”
বিচারকার্যের শুরু থেকেই আদালতে উপস্থিত ছিলেন নিহত বিজ্ঞানী সুজানে এটনের বোন জুলিয়ে এটন ব্রদদুস। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “এখানে আসাটা আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। তবে আমি মনে হচ্ছিল যে, সে (সুজানে) কতটা দুর্দান্ত ও মার্জিত মানুষ ছিল সেটা বলার জন্য এখানে আসাটা আমার দরকার ছিল।”