বিগত চারদলীয় জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলার বিচার ৩০ কার্যদিবসে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত।
একই সঙ্গে এ মামলায় বিচারিক আদালত পরিবর্তনে বাবরের করা আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট।
বাবরের করা আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী পারভেজ হোসেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন (মানিক)।
একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত লুৎফুজ্জামান বাবর কারাগারে রয়েছেন। ৭ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন ও মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় অভিযোগে ২০০৮ সালের ১৩ জানুয়ারি রমনা থানায় এ মামলা করে দুদক। তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৬ জুলাই সংশ্লিষ্ট আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এ বিচারাধীন মামলাটিতে ইতিমধ্যে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ১ মার্চ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আসামি পরীক্ষা ও আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি শেষ হয়। আসামি বাবর সাফাই সাক্ষ্য দেবেন না জানিয়ে একাধিকবার সময় নিয়ে লিখিত বক্তব্য দেওয়ার কথা বলেন।
এরই ধারাবাহিকতায় আদালত পরিবর্তনে হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি।
দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান বলেন, ‘মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তাকে (বাবর) লিখিত বক্তব্য দেওয়ার জন্য চারটি তারিখ দেওয়া হলেও বক্তব্য না দিয়ে তিনি আদালত পরিবর্তনে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। আবেদনে কোনো আইনগত ভিত্তি না থাকায় সেটি খারিজ হয়ে গেছে। একই সঙ্গে হাইকোর্টের আদেশের অনুলিপি পাওয়ার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে।’