সেঞ্চুরিতেও জয় পেলেন না মুশফিক

মুশফিকুর রহিম ১০৩ রান করলেও দলকে জেতাতে পারলেন না নাজমুল একাদশকে। মিরপুরে প্রেসিডেন্ট কাপের তৃতীয় ম্যাচে তাদের ৪২ রানে হারিয়েছে তামিম একাদশ।

প্রথম দুম্যাচে শুরুতে ব্যাট করা দল করেছিল ১৯৬ ও ১০৩। সেই রান তুলতেও কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল পরে ব্যাট করা দলকেও। শেষ পর্যন্ত গতকাল দুশো রানের দেখা মিলল প্রেসিডেন্টস কাপে। ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২২১ করলেন তামিম একাদশ। জবাবে ৪৫.৩ ওভারে ১৭৯ রানে অল আউট হয় নাজমুল একাদশ। শরিফুল ইসলাম ৩৭ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেন। মাত্র ১৫ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান। তামিম একাদশের জয়ে প্রেসিডেন্ট কাপের লড়াই জমে উঠেছে। তিনটি দলই একটি করে জয় নিয়ে ফাইনালের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রেখেছে।

মিরপুরে গতকাল তামিম একদশের ওই ২২১ হয় না ৯ নম্বরে নামা মেহেদী হাসান ৮২ রান না করলে। তাসকিন-আল আমিন-মুগ্ধদের পেসের সঙ্গে নাঈম হাসান ঘূর্ণিতে প্রথম ম্যাচের মতোই বেহাল অবস্থা হয়েছিল ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রিত তামিম একাদশের। ৩৫তম ওভারে সাইফউদ্দিন অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউটের সময় তাদের স্কোর মাত্র ১২৫। সেখান থেকে তাইজুলকে ৯৫ রানের জুটি গড়ে দলকে আরেকটি বিপর্যয় থেকে বাঁচিয়েছেন মেহেদী। ৫৭ বলে ৮২ রান করেছেন তিনি, ৯টি বাউন্ডারির সঙ্গে মেরেছেন তিনটি ছক্কা। লোয়ার অর্ডারে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলা তাইজুল ৪৩ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থেকে যান। দ্বিতীয় ওভারেই দুই তামিমের জুটি ভাঙা আল আমিন নাজমুল একাদেশের সফলতম বোলার। ৪৩ রানে নিয়েছেন আকবর ও সাইফউদ্দিনের উইকেটও। তবে নাইম হাসান মাত্র ২৮ রানে নিয়েছেন ৩৩ রান করা অধিনায়ক তামিম ইকবাল আর ৪ রান করা মিঠুনের উইকেট। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের শাহাদত হোসেন দীপুকে ৩১ আর মোসাদ্দেক সৈকতে ১২ রানে ফেরান লেগ স্পিনার রিশাদ। জবাবে দুই বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলামের তোপের মুখে পড়ে নাজমুল একাদশ। ৩০ রানের মধ্যে সাইফ হাসান, অধিনায়ক নাজমুল এবং সৌম্য সরকারকে হারায় তারা। ৬৪ থেকে ৭৪ রানে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের শরিফুল আফিফ হোসেন ও তৌহিদ হৃদয়কে ফিরিয়ে দলে ভীষণ চাপে পড়ে নাজমুলরা। এরপর মুশফিক সেঞ্চুরি করলেও সেই চাপ থেকে বের হতে পারেনি নাজমুল একাদশ।