মধুর সমস্যায় সুয়ানতেক

পোল্যান্ডের ইতিহাসের প্রথম টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছেন। এমন অভূতপূর্ব কীর্তির পর তাকে নিয়ে মাতামাতি তো হবেই। কিন্তু বিষয়টি যে ইগাহ সুয়ানতেকের কাছে পুরোপুরি নতুন। মাত্র ১৯ বছর বয়সে গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতে ইতিহাস গড়ে রাতারাতি বৈশ্বিক মহাতারকা হয়ে গেছেন এই পোলিশ তরুণী। এখনো যে লেখাপড়ার পাঠই শেষ করেননি। তবুও এই পরিস্থিতি তার ভালো লাগছে এবং নতুন আবহ মানিয়ে নিতে চেষ্টাও করছেন বলে জানান সুয়ানতেক।

গত শনিবার আমেরিকান সোফিয়া কেনিনকে ৬-৪, ৬-১ সেটে হারিয়েছেন সুয়ানতেক। ১৯৯২-এ মনিকা সেলেসের পর সর্বকনিষ্ঠ ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ী হয়ে যান তিনি। এরপর দেশে ফিরে নিজের মহাতারকা ইমেজটা দেখলেন। সুয়ানতেক বলেন, ‘এখানে (পোল্যান্ড) বেশ পাগুলে পরিস্থিতি। মনে হচ্ছে আমার জীবনটাই বদলে গেছে। আমি নতুন এই পরিস্থিতিতে অভ্যস্ত হতে চেষ্টা করছি। আমি এক পোল্যান্ড ছেড়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এসে দেখি অন্য এক পোল্যান্ড। আমি এখানে এখন অন্যতম সেরা তারকা।’

ছোট বয়সে গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের অভিজ্ঞতা আছে নাওমি ওসাকার। এই জাপানি মাত্র ২১ বছর বয়সে প্রথম ইউএস ওপেন জিতেছিলেন। এরপর যেই পরিবেশ তার চারপাশে ছিল সেই রকম পরিবেশে এখন সুয়ানতেক। তাই উত্তরসূরিকে ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ের পর অভিনন্দন জানাতে ভোলেননি ওসাকা। একই সঙ্গে যেকোনো প্রয়োজনে সুয়ানতেকের পাশে থাকার কথাও দিয়েছেন। সুয়ানতেক জানান, ‘এখন আমি বেশ ভালো অনুভব করছি। তবে কোনো সমস্যা হলে আমার পাশে থাকার মতো একজন আছে। নাওমি ওসাকা। সে আমাকে মুঠোফোন বার্তায় শুভেচ্ছা জানিয়েছে এবং যেকোনো পরামর্শ বা যেকোনো কিছুর জন্য তার দুয়ার খোলা আছে বলে আমাকে জানিয়েছে। ফাইনালের পর আমরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথাও বলেছি। তখন মনে হচ্ছিল আমার পাশে একজন আছে।’

গত ৮১ বছরে ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে ওঠা প্রথম পোলিশ সুয়ানতেক। তার স্বপ্ন চারটি গ্র্যান্ড সø্যাম শিরোপা জেতা। একই সঙ্গে অলিম্পিকে স্বর্ণপদকও পেতে চান এই তরুণী।