প্যারিসের হত্যাকাণ্ড নিয়ে কঙ্গনার ‘ইসলামবিদ্বেষী’ মন্তব্য

প্যারিসের একটি হত্যার ঘটনায় সরব হয়েছেন কঙ্গনা রনৌত। এ নিয়ে একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে দায়ী করে অত্যন্ত কড়া ভাষায় মন্তব্য করেছেন তিনি। বলা হচ্ছে, সরাসরি ইসলাম ধর্ম নিয়ে বিদ্বেষ প্রকাশ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী।

শুক্রবার প্যারিসের রাস্তায় শিক্ষকের মাথা কেটে ফেলে এক মুসলিম যুবক। ঘটনার বয়ানে বলা হচ্ছে, বাক্‌স্বাধীনতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার পাঠ দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি কার্টুন দেখিয়েছিলেন তিনি। সে কারণে এ ঘটনা।

শনিবার টুইটারে তীব্র প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন কঙ্গনা। নাম উল্লেখ না করেই সেখানে ইসলাম ধর্মকে আক্রমণ করেন। সঙ্গে নিজ দেশের বুদ্ধিজীবীদের এক হাত নেন।

ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি-ঘনিষ্ঠ এই অভিনেত্রী লেখেন, “একটি কার্টুনের জন্য এক শিক্ষকের মাথা কেটে ফেলা হলো। আমি শুধু কল্পনা করতে পারি অতীতে আমাদের লোকজনের কী অবস্থা করেছিল এই হানাদাররা। আজকের ডিজিটাল যুগে শিক্ষিত হয়েও এদের আচরণ রাক্ষসের মতো। যাযাবর অবস্থায় এরা ভারতের কী দশা করেছিল।”

কঙ্গনা আরও লেখেন, “আমি ভেবে অবাক হই, এই ধর্ম এতো অসহিষ্ণু। পুরুষতান্ত্রিক এই ধর্মে নারী, পশু, প্রকৃতি কারোরই উপাসনা করা হয় না। অথচ আজকের দিনে এটাই সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা ধর্ম। বুদ্ধিজীবীরাও এই ধর্মকেই সমর্থন করেন। এমনটাই কী করে হয়?”

ইসলাম ধর্মে জীবন্ত সত্তার প্রতিকৃতি অঙ্কন নিষিদ্ধ। কিন্তু ফ্রান্সে এর আগেও মহানবী (সা.)-র কার্টুন নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড ঘটে। যার পেছনে রয়েছে দেশটির রম্য সাময়িকী শার্লি হেবদো। ফ্রান্সে একে বাক্‌স্বাধীনতা ও ধর্ম নিরপেক্ষতার বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হলেও ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা বরাবরই বিদ্বেষ দেখে আসছেন ‘অবমাননামূলক’ কার্টুন প্রকাশে।