মদনে এক পরিবারের তিনজনের মৃত্যুতে শোকের মাতম

ঘুম থেকে উঠে বিছানায় না পেয়ে খোঁজাখুঁজির পর এক বাকপ্রতিবন্ধী শিশুর(৬) লাশ পাওয়া গেছে বাড়ির সামনে গর্তে জমা পানিতে।

রবিবার ভোরে নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ফতেপুর ইউনিয়নের ছত্রকোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত তোয়া আক্তার একই গ্রামের শামীম কবির খান রেনুর মেয়ে। এ নিয়ে এই পরিবারে এই দুই দিনে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, গত শনিবার তোয়া আক্তার পরিবারের সঙ্গে তার দাদার (বাবার চাচা) মৃত্যুর খবর পেয়ে ময়মনসিংহ থেকে গ্রামের বাড়িতে আসে। দাফন সম্পন্নের পর শিশুটি রাতে খাবার খেয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুমায়। রাতে কোনো এক সময় শিশুটি ঘরের দরজা খুলে বের হয়ে যায়।

ভোরে বিছানা থেকে উঠে বাবা-মা তাকে বিছানায় না পেয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির সামনে গর্তে জমা পানি থেকে শিশুটিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এক শোক কাটতে না কাটতে পরিবারের মাঝে আরেক শোকের মাতমের মধ্যে আজ দুপুরের দিকে খবর আসে নিহত শিশুর ছোট চাচি ঢাকায় মারা গেছেন।

এ বিষয়ে ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী শিশু তোয়া আক্তারের মৃত্যুর সত্যতা দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করে বলেন, বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুটি বাবা-মায়ে সঙ্গে দাদা মৃত্যুতে বাড়িতে এসেছিল। আজ (রবিবার) দুপুরে খবর আসে শিশুটির ছোট চাচি ঢাকায় মারা গেছে এবং সেখান থেকে লাশ দাফনের জন্য বাড়িতে নিয়ে আসা হচ্ছে।

তিনজনের মৃত্যুতে এ পরিবারের মাঝে বিরাজ করছে শোকের মাতম।