বরিশালে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের দায়ে ১১ জেলেকে কারাদণ্ড এবং ৫ জনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ ৫ হাজার মিটার জাল জব্দ করা হয়েছে।
বরিশালে জাতীয় সম্পদ ইলিশ সংরক্ষণে ধারাবাহিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ওই দণ্ড ও জাল জব্দ করা হয়।
রোববার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বরিশালের জেলা প্রশাসক এস, এম, অজিয়র রহমানের নির্দেশনায় মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পিজুস চন্দ্রদের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ইলিশ মাছ আহরণের সময় নৌ-পুলিশের সহায়তায় ১৬ জেলেকে আটক করা হয়।
পরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ইলিশ মাছ আহরণের দায়ে ১১ জেলেকে ১ মাস করে কারাদণ্ড এবং ৫ জেলেকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ১৫ হাজার মিটার জাল জব্দ পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
অপরদিকে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনিবুর রহমানের নেতৃত্বে কীর্তনখোলা নদীতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৪ হাজার মিটার জাল জব্দ করে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। পাশাপাশি জব্দকৃত ৩৫ কেজি ইলিশ মাছ বিভিন্ন এতিমখানায় ও মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়।
এ ছাড়া বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমীনুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ৭০ হাজার মিটার জাল জব্দ করে তা পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয় এবং জব্দকৃত ৩৬ কেজি ডিমওয়ালা ইলিশ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
এদিকে হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বকুল চন্দ্র কবিরাজের নেতৃত্বে অভিযানে জব্দকৃত ৭ হাজার মিটার জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাধবী রায়ের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ৫ হাজার মিটার জাল জব্দ করে তা বিনষ্ট করা হয়।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রণতি বিশ্বাসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ৩ হাজার মিটার জাল জব্দ করে তা বিনষ্ট করা হয়।