উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদসহ সম্প্রতি অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীনদের ব্যাপক তাণ্ডবের ঘটনায় দেশের নির্বাচনী পরিবেশ ও গণতন্ত্রের মৃতপ্রায় চেহারা আরও স্পষ্ট হয়েছে।
বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দপ্তরের দায়িত্বে থাকা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স এ কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, ‘গতকাল দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এবং উপনির্বাচনে সরকার তাদের দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে বরাবরের মতোই ভোটকেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেওয়া, ভোটকেন্দ্র দখলসহ ব্যালট পেপারে গণহারে সিল মারা, জালভোট প্রদান ও সাধারণ ভোটারদের ভোট দিতে প্রচণ্ড বাধা দিয়েছে।’
তার অভিযোগ, একতরফাভাবে সরকারদলীয় প্রার্থীদের বিজয়ী করতেই সরকার এ ধরনের অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। বিএনপির সমর্থক ও ভোটারদের ওপর হামলা এবং ব্যাপক ভোট জালিয়াতির আশ্রয় নিলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সরকার অনুগত প্রশাসন সেসব দেখেও না দেখার ভান করেছে।
ইমরান সালেহ বলেন, সাধারণ ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা প্রদানসহ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ব্যাপক তাণ্ডবের ঘটনায় দেশের নির্বাচনী পরিবেশ ও গণতন্ত্রের মৃতপ্রায় চেহারা আরও স্পষ্ট হয়েছে।
যেকোনো মুহূর্তে জনগণ রাজপথ কাঁপিয়ে অবৈধ ও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের পতন ঘটাতে ধেয়ে আসবে এমন মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, ‘হামলা ও নির্যাতন চালিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্রোতোধারাকে স্তিমিত করা যাবে না।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।