পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে সাবেক স্বামীর ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ১৬,১৭ ও ১৮ ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর নেহার বেগম। তার বাড়ি নগরীর দ্বিতীয় মুরাদপুর। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় নেহার বেগমের সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলাম রুক্কু মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।
আহত কাউন্সিলর নেহার বেগমের ছেলে জহিরুল ইসলাম সুমন বলেন, আমার মা নেহার বেগমের সঙ্গে বাবা রফিকুল ইসলাম রুক্কু মিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বনিবনা নেই। আমার বাবা প্রায়ই আমার মার সঙ্গে ঝগড়া বিবাদে জড়াতো। অনেক অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত আমার বাবা। বিষয়টি নিয়ে আমরা পাঁচ ভাই বোন অশান্তির মধ্যে থাকি। পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্তে ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে আমার মা নেহার বেগম আমার বাবা রফিকুল ইসলাম রুক্কু মিয়াকে তালাক দেন। তারপর থেকে আমার বাবা প্রায়ই আমার মা নেহার বেগমকে মারধর করার হুমকি দিতেন।
নেহার বেগম বৃহস্পতিবার সকালে হাঁটতে বের হলে আগে থেকে ওত পেতে থাকা রফিকুল ইসলাম কাটার নিয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। তার গলায় আঘাত করেন। আহত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে রুক্কু মিয়া পালিয়ে যান। স্থানীয়রা নেহার বেগমকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক মুশফিক আহমেদ জানান, নেহার বেগমের ঘাড়ে ধারালো ছুরির আঘাত ছিল। ৩০টি সেলাই লেগেছে। এখন তিনি আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল হক দেশ রূপান্তরকে জানান, কাউন্সিলর নেহার বেগমের ওপর হামলাকারী রফিকুল ইসলাম রুক্কুকে আটক করা হয়েছে।