দেরি করার বদভ্যাস ত্যাগ করো

ক্লাসে দেরি করার দায়ে স্যারের বকুনি খাওয়া, গ্রুপস্টাডিতে দেরি করার কারণে বন্ধুদের তিরস্কার হজম করা এবং পরীক্ষার হলে দেরি করে আক্ষেপ করা অনেকের জন্য স্বাভাবিক ঘটনা। এটি অভ্যাসে পরিণত হলে সারা জীবন তোমাকে ভুগতে হবে। তাই এখনই ঝেড়ে ফেলো এই বদভ্যাস। লিখেছেন ইজাজুল হক

নতুন রুটিন : দেরি করার অভ্যাস ত্যাগ করতে হলে তোমাকে নতুন রুটিন বানাতে হবে। কোন কাজে কত সময় লাগে, কোন কাজের কারণে বারবার লেট হয় তা বের করে সে অনুযায়ী রুটিন বানাতে হবে। তারপর সেগুলো নির্ধারিত সময়ের আগে শেষ করার ওপর জোর দিতে হবে।

গোছালো জীবন : সবকিছু গুছিয়ে নেওয়ার অভ্যাস করো। বাসা থেকে বের হওয়ার আগেই সবকিছু ঠিকঠাক নিয়েছ কি-না, তা নিশ্চিত হও। খাতা, কলম, বইসহ তোমার নিত্যপ্রয়োজনীয় উপকরণগুলো ব্যাগে গুছিয়ে রেখো। প্রেজেন্টেশন বা পরীক্ষা থাকলে আগে থেকেই সব কাগজপত্র গোছগাছ করে রেখো। মানিব্যাগ, ছাতা ও চাবির কথা তাড়াহুড়োর মধ্যে ভুলে যেয়ো না। প্রয়োজনে চেকলিস্ট রেখো।

যাতায়াত : স্কুলে যাওয়ার সময় ট্রাফিক জ্যামে আটকে পড়ার আশঙ্কা থাকলে হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে বের হও। একান্ত দেরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে আগেই বিকল্প পথের সন্ধান নিয়ে রেখো। হরতাল-ধর্মঘটের মতো যেকোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনায় তোমার নিয়মিত যাতায়াতপথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তখন বিকল্প পথের সদ্ব্যবহার করো। 

ঘড়ি ব্যবহার : সবসময় ঘড়ি ধরে পড়াশোনা করো। স্কুল কিংবা পরীক্ষার হলে রওনা হওয়ার সময়টা অ্যালার্ম দিয়ে রেখো। ইচ্ছা করে দেরি করার অভ্যাস থাকলে ঘড়ির সময় ফাস্ট করে রাখতে পারো। আগে পৌঁছালে তোমার কোনো ক্ষতি নেই।

প্রতিজ্ঞা : দেরি করার অভ্যাস তাড়াতে চাইলে আজ থেকে প্রতিজ্ঞা করো, কোনো কাজে লেট করবে না। যেকোনো পরিস্থিতিতেই তুমি নির্ধারিত সময়ের অন্তত ১৫ মিনিট থেকে আধঘণ্টা আগে যথাস্থানে পৌঁছে যাবে।