সিলেটে রায়হান হত্যার মূল আসামিকে শিগগিরই ধরা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিলেটে পুলিশের নির্যাতনে রায়হান আহমদ নিহতের ঘটনায় মূল আসামি শনাক্ত হয়েছে এবং খুব শিগগিরই তাকে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

তিনি শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, কোনো অপরাধী অপরাধ করে পার পাচ্ছে না। তাদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। পুলিশ জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।  শুধু করোনা নয়, কোনো জাতীয় দুর্যোগ যখনই আসে তখনই পুলিশ সামনে এসে দাঁড়ায়।

পুলিশের অপরাধের জড়িয়ে পড়া প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ যেখানেই অন্যায় করেছে, শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির মুখোমুখি করা হয়েছে। কোনো নৈরাজ্য সৃষ্টির জন্য কাউকেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।

পুলিশের আধুনিকায়নের জন্য যা যা করা দরকার তা করা হচ্ছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেখানে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নির্ধারিত অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে তিনি সার্কিট হাউসে অবস্থান করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্য উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, আতাউর রহমান খান, তানভীর হাসান ছোট মনির, হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারি ও টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়।

১০ অক্টোবর রাতে নেহারিপাড়ার বাসিন্দা রায়হানকে কোতোয়ালির বন্দরবাজার ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা হয়। পরের দিন ভোরে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর রাতে কোতোয়ালি থানায় নিহতের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা করেন।

মহানগর পুলিশের একটি অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত করে ১২ অক্টোবর বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঞাসহ চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করে। ওই দিন থেকে আকবর পলাতক।