আলোকিত মানুষ হতে বই পড়তে হয়, বইপোকা হতে হয়। আর প্রযুক্তির উৎকর্ষের সঙ্গে বইপড়ার ধরনও পরিবর্তিত হচ্ছে। আজকাল ই-বুক রিডারের ব্যবহার বাড়ছে। তুমি যদি বইপোকা হও, অ্যামাজন কিন্ডল হতে পারে তোমার সেরা বন্ধু। লিখেছেন ফখরুল মুজিব
অ্যামাজন কিন্ডল অ্যামাজন-এর একটি ই-বুক রিডার। এটির সাহায্যে বই, ম্যাগাজিন, পত্রিকা ইত্যাদি পড়া যায়। এছাড়াও অনেক কিছু কেনা ও ডাউনলোড করা যায়। দারুণ এই ডিভাইসে বইপড়ার নানা সুবিধা রয়েছে।
স্বাচ্ছন্দ্য
কিন্ডলে তুমি স্বাচ্ছন্দ্যে বই পড়তে পারবে। এর রয়েছে চমৎকার ই-ইংক স্ক্রিন, যা তোমাকে কাগুজে বইপড়ার স্বাদ এনে দেবে। দিনের যে কোনো সময় যে কোনো স্থানে বসে তাতে বই পড়তে পারবে। তাছাড়া এটিতে একবার চার্জ দিলে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে ৫-৬ সপ্তাহ ব্যবহার করে বই পড়তে পারবে। কিছুক্ষণ পরপর চার্জে দেওয়ার ঝামেলা পোহাতে হবে না।
পর্যাপ্ত বই
কিন্ডলের সঙ্গে যুক্ত আছে কিন্ডলস্টোর। সেখান থেকে স্বল্পমূল্যে নতুন নতুন বই কিনে পড়তে পারো। অনেক সময় ফ্রি ই-বুকও পাওয়া যায়। হাজার হাজার বই জমা রাখার পর্যাপ্ত স্পেস কিন্ডলে রয়েছে। তাই তোমার পাঠ্যবইসহ দরকারি-অদরকারি বইয়ের বিশাল ই-লাইব্রেরি গড়ে তুলতে পারো এই ছোট্ট কিন্ডলে।
চোখসহনীয়
অ্যামাজন কিন্ডল-এর স্ক্রিন চোখসহনীয়। প্রিন্টেড কিংবা অন্যান্য ডিভাইসে দীর্ঘক্ষণ বই পড়লে যে ধরনের চাপ তৈরি হয়, এটি তা থেকে মুক্ত। চোখের ওপর যেন কোনো চাপ না পড়ে সেভাবেই এটি বানানো হয়। তাছাড়া কাগুজে বই তুমি অন্ধকারে পড়তে পারো না। এটি অন্ধকারেও ব্রাইটনেস বাড়িয়ে-কমিয়ে পড়া যায়।
ভ্রমণসঙ্গী
কিন্ডল বেশ ছোট ও হালকা হওয়ায় সহজে বহনযোগ্য। যেখানেই যাও, সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবে। বইপড়ার অদম্য নেশা থাকলে এটি তোমার বেশ উপকারে আসবে। কয়েকদিনের জন্য বেড়াতে গেলে সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পারো। কিংবা যে কোনো অবসরে কিংবা ট্রাফিক জ্যামে আটকে আছো, তখনো কিন্ডল হবে তোমার বন্ধু।
বই-শেয়ার
কিন্ডলে বই থাকলে তুমি বন্ধুদের বই ধার দিতে পারবে। এতে কাগুজে বইয়ের মতো ‘ধার নিয়ে ফেরত না দেওয়ার ঘটনা’ ঘটার সম্ভাবনা নেই। যে বইটি তুমি ধার দেবে, তা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তোমার জন্য ব্লক থাকবে। সময় পুরোলে আপনাআপনিই বইয়ে ঢোকার অনুমতি পেয়ে যাবে।